রাত পোহালেই ঈদ-উল-আযহা। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী হাট গাট দিয়ে নাড়ীর টানে বাড়ী যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে তিন গুন যাত্রী নিয়ে পারাপার করছে অসাধু ব্যবসায়ী ও লঞ্চ মালিকরা।
সকাল থেকে কয়েকটি লঞ্চ যোগে এভাবেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার করছে যাত্রী। একই সাথে স্বfস্থবিধি না মেনে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধু লঞ্চঘাটে ভীড় বেড়েছে যাত্রীরা। প্রশাসনের নাকে ডগায় এমন অনিয়ম চোখে পড়ার মতো। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুন,তিনগুন যাত্রী উঠাচ্ছে লঞ্চ মালিকরা।
সকালে পারিজাত নামের একটি লঞ্চ ধারণ ক্ষমতার তিন গুন যাত্রী নিয়ে রওয়া দেয় বরিশালের উদ্দেশে। ৪ শ যাত্রী বহন করার ক্ষমতা পারিজাতের। কিন্তু ১ হাজার থেকে ১২ শ যাত্রী নিয়ে বরিশাল রওয়না দিয়েছে পারিজাত। একই ভাবে দোয়েল পাখি নামের আরেকটি সি ট্রাক অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পার হচ্ছে।
অর্থের বিনিময়ে এসব লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী উঠানোর সহযোগিতা করছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় কোষ্টগার্ডের বিরুদ্ধে।
প্রশাসনিক ভাবে ব্যবস্থা না নিলে যে কোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনা আশংকা করছে সচেতন মহল। তাই নিরাপদে বাড়ী ফিরতে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামানা করছেন তারা।
এবিষয়ে কোষ্টগার্ডের কমন্ডার অফিসারকে মোবাইল ফোন করে পাওয়া যায়নি।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি