অফিস সহকারীর চাকরি করেই প্লট, ফ্ল্যাট ও কোটি টাকার গাড়ির মালিক!

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করেন নূরজাহান বেগম। সর্বসাকুল্যে বেতন পান ২৮ হাজার টাকা। কিন্তু নূরজাহান আক্তারের যে সম্পদ সেটার পরিমাণ পিলে চমকে ওঠার মতো।

সাধারণ অফিস সহকারীর চাকরি করেও ঢাকার মিরপুর ও আশুলিয়ায় তিনটি বাড়ি, আফতাবনগরে দুটি প্লট, বেইলি রোড, চামেলীবাগ, মীরবাগ ও কাকরাইলে চারটি আলিশান ফ্ল্যাটের মালিক নূরজাহান বেগম। আবার তিনি যে প্রাডো গাড়িতে চড়েন, সেটার দাম ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এছাড়া ২৬ লাখ টাকার আরো একটি গাড়ি আছে। এর বাইরে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার বাঙ্গরা বাজারে আছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ।

বাড়ি-গাড়ির মালিক হতে বেশি সময় লাগেনি নূরজাহান বেগমের। মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই গড়ে তুলেছেন নিজের বিশাল সম্রাজ্য। শুরুটা রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এজেন্সির আড়ালে মানব পাচার করেছেন দেদারসে। তবে বরাবরই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে ছিলেন তিনি। অবশেষে গত ২৮ মে লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের পর প্রথমবারের মতো তার নাম আলোচনায় আসে।

অল্পদিনে বিশাল সম্রাজ্যের মালিক হওয়া নূরজাহান ইতোমধ্যে চাকরি হারিয়েছেন। স্বামীসহ বর্তমানে কারাগারে আছেন। নূরজাহান এবং তার স্বামীর বিরুদ্ধে মানবপাচারের যে মামলা করা হয়েছে, তার তদন্ত করছে সিআইডি। সেই তদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর