ফরিদপুরে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে আবারও। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষের দুর্ভো। জেলার ৩০টি ইউনিয়নের দুইশতাধিক গ্রাম ইতোমধ্যেই প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলাও প্লাবিত।
বন্যার আগে করোনা পরিস্থিতিতে সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলায় খাদ্য, নগদ অর্থ মাস্ক ও স্যানিটাইজারসহ নানা সামগ্রী নিয়ে পাশে দাড়িয়েছিলেন স্থানীয় সাংসদ মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। এবার বন্যার সময়ও ডূবে থাকা দুর্গম চরাঞ্চলে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে হাজির হন তিনি।
শনিবার (২৫ জুলাই) চরভদ্রাসন উপজেলার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেন তিনি। এ সময় দেখা যায় পানির মধ্যে নেমে বন্যার্তদের খোঁজখবর নিচ্ছেন তিনি।
এ বিষয়ে নিক্সন চৌধুরী বলেন, আমি দুর্গম চরে গিয়েছি, যেখানে মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। সবার সঙ্গে কথা বলেছি, সরকারি ও আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি।
স্থানীয়রা জানান, এমপি নিক্সন চৌধুরী ত্রাণ বিতরণের প্রথম দিনেই গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে বন্যার্তদের খোঁজখবর নিয়েছেন। চরভদ্রাসন উপজেলার চর হরিরামপুর, গাজীরটেক ও চরভদ্রাসন ইউনিয়ন এবং সদরপুরের চরমানাইর, দিয়ারা নারিকেল বাড়িয়া, চরনাসিরপুর ও ঢেউখালী ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেন।
এমপি নিক্সন চৌধুরীর নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুর ৪ আসনের ৩ উপজেলা ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসনের প্রায় ৯০ হাজার মানুষ পানিবন্দি। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সদরপুর ও চরভদ্রাসনের বিভিন্ন সড়ক ও বাঁধ।
বার্তাবাজার/এসজে