রাজধানীর বাড্ডা একতি সিকিউরিটিস কোম্পানীতে চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে অফিসে ডেকে এক তরুণীকে (১৮) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তের দুই সহযোগীকে পুলিশ আটক করলেও পলাতক রয়েছেন মূল হোতা।
এ বিষয়ে বাড্ডা থানার এসআই মাসুদুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী মেয়েটির বাড়ি পটুয়াখালী। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর চাকরি লাভের আশায় ৯ দিন আগে বাড্ডা হোসেন মার্কেট এলাকার এক আত্মীয়ের বাসায় এসে উঠেন। সেখানে এক যুবকের সাথে তার পরিচয় হলে সেই যুবক তাকে সন্ধান দেয় প্রগতি সরণির শেল্টার সিকিউরিটি সার্ভিসেস বিডি নামের একটা প্রতিষ্ঠানের। আশ্বাসও দেয় সেখানে চাকরির।
এরপর গত ১৭ জুলাই তাকে প্রগতি সরণির গ-৯৭/১ নম্বর এই ভবনের চারতলার ওই কোম্পানির অফিসে নিয়ে যান। এসময় ওই ব্যক্তি অফিসের দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণ করেন। এবং দ্বিতীয় আসামি অপারেশন ম্যানেজার শহিদুল হক (৪৫) রুমের দরজা বাইরে থেকে তালা আটকে দেন। সিকিউরিটি কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাহিদ হাসানও (৪৫) ধর্ষণে সহায়তা করেন।
বেলা আড়াইটার দিকে ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর কিশোরী লজ্জায় কাউকে কিছু না বলে পরিচিতের ওই বাসায় চলে যান। পরবর্তীতে অন্য একটি অনলাইন শপিংয়ে চাকরি নেন। সেখানে চাকরিরত অবস্থায় সহকর্মীদের কাছে ঘটনা খুলে বলেন। সহকর্মীরা তাকে নিয়ে শুক্রবার রাতে বাড্ডা থানায় এসে ঘটনার বিস্তারিত জানায় এবং ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার তরুণীকে আজ দুপুরে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের সহায়তাকারী দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও মূল আসামিকে এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি।
বার্তাবাজার/এসজে