জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ঝিনাই নদীর ওপর স্থাপিত ২০০ মিটার ব্রীজের এক দিনের ব্যবধানে আবারও একটি পিলার ও একটি গার্ডার বন্যার পানিতে ভেঙ্গে ভেসে গেছে।
ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ায় দুই উপজেলার অন্তত ২৫ টি গ্রামের মানুষের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্রীজের নিচ থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে এবং ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলন করার কারণেই এমন হয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, জানা যায়, ২০০৬ সালে শুয়াকৈর-হদুর মোড় সংলগ্ন ঝিনাই নদীর ওপর ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ ব্রীজটি তৈরি করা হয়। কার্যাদেশ পেয়ে এম এইচ
এন্টারপ্রাইজ-এর স্বত্ত্বাধিকারি মো. আক্তারুজ্জামান ব্রীজটি নির্মাণ করেন। নির্মাণের ১৪ বছরের মাথায় হঠাৎ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রীজটির মাঝামাঝি ২টি গার্ডারসহ ১টি পিলার প্রায় ১ ফুট ঢেবে যায়। পরে মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে ঢেবে যাওয়া একটি পিলারসহ ২ টি গার্ডার মুল ব্রীজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নদীতে ভেসে যায়।
পরে বৃহস্পতিবার সকালে আবারও ১টি পিলার ও একটি গার্ডার ভেঙ্গে পানিতে ভেসে যায়। এই নিয়ে ২০০ মিটার ব্রীজের দুইটি পিলার সহ ৬০ মিটার গার্ডার ভেঙ্গে নদীতে ভেসে গেছে। ফলে সরিষাবাড়ী ও মাদারগঞ্জ উপজেলার চরা লের অন্তত ২৫টি গ্রামের মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী রকিব হাসান বলেন, এখন পানির কারনে কেন ব্রীজটি ভেঙ্গে গেলো সেটা বলা যাচ্ছে না। বন্যার পানি কমলে বলতে পারবো। এছাড়া আমরা একটি লিখিত প্রতিবেদন এলজিইডি হেড অফিসে পাঠিয়েছি। সেখান থেকে ব্রীজ এক্সপার্ট টিম আসবে। তারা এসে পরিক্ষা করে বলতে পারবে যে কেন ব্রীজটি ভেঙ্গে গেলো। তারপর আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।
বার্তাবাজার/এমকে