লৌহজংয়ে বন্যার চরম অবনতি, প্লাবিত হয়েছে সবকটি ইউনিয়ন

মুন্সীগঞ্জের পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লৌহজংয়ে বন্যার চরম অবনতি ঘটেছে। অতিবৃষ্টি ও উজানের অতিরিক্ত পানি প্রবাহের কারণে পদ্মার পানি মাওয়া পয়েন্টে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপদসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

উপজেলার ইউনিয়নের সবকটি বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এসব ইউনিয়নে ৪৫ থেকে ৫৫ টি গ্রামে ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। অনেক এলাকায় ঘরের মধ্যে হাঁটু পানি কোথাও বুক সমান পানি।

উপজেলার প্রধান সড়কগুলো বন্যার পানিতে হয়েছে।প্লাবিত হওয়া গ্রাম গুলো হচ্ছে বৌলতলী ইউনিয়নের ধারার হাট, মাধাইশুর, পয়শা, কাজীপাড়া ও বৌলতলী মেদিনীমন্ডল ইউনিয়নের দক্ষিণ মেদিনীমন্ডল ,মাহমুদপট্টি,জশলদিয়া, কান্দিপাড়া ও কাজির পাগলা কুমারভোগ ইউনিয়নের খরিয়া ,কুমারভোগ ও রানীগাও কনকসার ইউনিয়নের কনকসার, সিংয়ের আটি, লৌহজং ও তেউটিয়া ইউনিয়নের সংগ্রামবীর, দুয়াল্লি ,কান্দি গাও, পাইকারা জাউটিয়া, ব্রাহ্মণ গাও ও বাউতগাও বেজগাও ইউনিয়নের ছত্রিশ, সুন্ধিষার,নতুন কান্দি ও বেজগাও গাওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া, সামুরবাড়ি, গাওদিয়া ও নুরপুর কলমা ইউনিয়নের কলমা,দক্ষিণ কলমা, ডুমুর কান্দি ,ভরাকর, ডহরি ও পশ্চিম নাওপাড়া খিদিরপাড়া ইউনিয়নের বাসুদিয়া, মিঠুসার, নরিনপুর ও চাইনপাড়া।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাজেদা সরকার জানান, বন্যার্তদের জন্য ১৭ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। বন্যার পানি আরো অবনতি ঘটলে আমরা তাদেরকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাবিরুল ইসলাম খান বলেন, বন্যা কবলিত এলাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চরাঞ্চলের মানুষগুলো। বিশেষ করে তাদের গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে রয়েছেন। তিনি আরো জানান আমাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে। ইতিমধ্যে বন্যা কবলিত এলাকায় দুই হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। বাকিদের ও ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছানো হবে।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর