মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তীব্র হচ্ছে ভাঙন

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার চারটি ইউনিয়নে মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তীব্র হচ্ছে ভাঙন। প্রতিদিনই ভাঙছে নদীর পাড়।

এতে বসতভিটা, পাঁকা সড়ক, আবাদি জমি, গাছপালাসহ নানা স্থাপনা ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে হচ্ছে। নদীতীরবর্তী এলাকার লোকজন ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে অসহায়ভাবে দিন কাটাচ্ছেন। সবকিছু হারিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে তাদের।

চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে মধুমতি নদীর পানি নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়ায় আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর, বানা, পাঁচুরিয়া ও টগরবন্দ ইউনিয়নে ভাঙন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে গোপালপুর ও টগরবন্দ ইউনিয়নে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।

অল্প সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকটি বাড়ি, গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত এক সপ্তাহে ভাঙন ঝুঁকিতে থাকা প্রায় অর্ধশত পরিবারের বসতঘর অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে। ব্যাপক হুমকির মুখে পড়েছে উপজেলার বাজরা, চর আজমপুর, চরডাঙ্গা, চাপুলিয়া, চরধানাইড়, শিকিপাড়া, পাঁচুড়িয়া, চরনারানদিয়া গ্রামসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষ। এরই মাঝে ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষের যাওয়া আসার একমাত্র বাজড়া-চরডাঙ্গা পাকা সড়কটির ১০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

একই সাথে নদীগর্ভে চলে গেছে গুচ্ছগ্রামের ১২৫টি বাড়ি, বাজরা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদসহ নানা স্থাপনা। এখন চরম হুমকির মুখে রয়েছে কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা ও ২টি বাজারসহ নানা ধরনের স্থাপনা।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর