স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পদ থেকে সরে যাওয়ায় ডা. আবুল কালাম আজাদকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
গতকাল (বুধবার) দুপুরের দিকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই অভিমত জানান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যের ডিজি সরে যাওয়ায় নতুন করে ঢেলে সাজানোর সুযোগ তৈরী হবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে। স্বাস্থ্য অধিদফতর নিয়ে জনমনে অনেক অসন্তুষ্টি তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে অধিদপ্তরের কর্তাব্যক্তিদের নিয়ে অসন্তুষ্টি ছিল। এখন নতুন রুপে জনগনের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আবারও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সাঁজাতে সরকার বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, বিএনপির আমলেও দেশে দুর্যোগ এসেছিল। তখন তারা দেশের মানুষকে কতটা দুর্ভোগে ফেলেছিল তা কারো অজানা নয়। তখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন সাইফুর রহমান। তার বাড়ির চারপাশে পানি জমে নোংরা হয়েছিল। তারা গুলশান লেককেই সংস্কার করেতে পারেনি।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এদেশের সাংবাদিকরা অত্যন্ত মেধাবী। তাদের সংবাদ পরিবেশন সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দিতে পারে। অনেক সাংবাদিক নিষ্ঠার সাথে দেশের মানুষের স্বার্থে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু কিছু অসাংবাদিকের কারণে ভাল সাংবাদিকদের বদনাম হচ্ছে। আমরা এটি হতে দিতে পারিনা। সবাইকে সাথে নিয়ে এই অবস্থার পরিবর্তন খুব দ্রুতই ঘটাবো।
এর আগে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আমেরিকান চেম্বার অভ কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম)-এর পক্ষ থেকে ‘অ্যামচ্যাম কোভিড-১৯ ফ্রন্টলাইন এওয়ার্ড’ প্রদানের ঘোষণাদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত হন। মন্ত্রী তাদের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
অ্যামচ্যাম প্রেসিডেন্ট সৈয়দ এরশাদ আহমেদের সভাপতিত্বে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের উপপ্রধান জো-অ্যান ওয়াগনার, অ্যামচ্যামের ভাইস প্রেডিসেন্ট সৈয়দ মো. কামাল ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অনলাইনে যোগ দেন।
বার্তাবাজার/এসজে