ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার অতি জনগুরুত্বপূর্ণ মুশুল্লী চৌরাস্তা টু কালিগঞ্জ বাজার রাস্তার বেহালদশা দেখা দিয়েছে। যার ফলে জনদূর্ভোগ চরমে অর্থাৎ সীমাহীন দূ্র্ভোগ পোহাতে হচ্ছে উক্ত রাস্তায় চলাচলকারী জনসাধারণকে। এ যেন দেখার কেউ নেই।
সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, উক্ত রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় পিচ, ইট-পাথর উঠে গিয়ে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব বড় বড় গর্তের ফলে সড়কটি যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। উক্ত রাস্তা দিয়ে দূর্ভোগের সাথে প্রতিদিন শত শত বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। আর প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের দূর্ঘটনা।
এছাড়া রাস্তা দিয়ে চলার সময় কিছু দূর যেতে না যেতেই যানবাহন থেকে নেমে কিছুটা হেটে ফের যানবাহনে উঠতে হয়। এভাবেই চলছে দুই-তিনটি ইউনিয়ের মানুষের চলাফেরা। তবে রাজগাতী ও মুশুল্লী ইউনিয়ের মানুষের বেশী দূর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। সবচেয়ে বড় দূর্ভোগের শিকার হতে হয় এই এলাকার রোগীদের নিয়ে। জরুরী কোন মুমূর্ষু বা প্রসূতি রোগীদের উপজেলা সদর হাসপাতালে নিতে সীমাহীন দূর্ভোগের শিকার হতে হয়।
এই দূর্ভোগের বিষয়ে তথা উক্ত রাস্তাটি সংস্কারের বিষয়ে যেন কারো মাথা ব্যাথা নেই। সড়কটি সংস্কারে কর্তৃপক্ষের নেই কোন উদ্যোগ। উক্ত রাস্তায় চলাচলকারী কিছু যানবাহন চালক তাদের নিজেদের কথা চিন্তা করে রাস্তার দু-একটি গর্তে কিছু রাবিশ বা ইটের টুকরা ফেলে চলাচলের অস্থায়ী উপযোগী করে তুলে। তাও আবার দু-তিন দিনেই উঠে গিয়ে ফের ভোগান্তির শিকার হতে হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, সর্বশেষ দুই বছর পূর্বে খানাখন্দে ভরা এই ৪ কিলোমিটারের সড়কটি সংস্কার করা হয়েছিল। এ কাজটি বাস্তবায়ন করেছিল প্রভাবশালী একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ৬ মাস যেতে না যেতেই বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
সদ্য যোগদানকারী নান্দাইল উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার জানান, তিনি এখনো উপজেলার রাস্তাঘাট সম্পর্কে তেমন কিছুই জানেন নি।” তবে নান্দাইল উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী রশিদুল হাসান বলেন, মুশুলী-কালিগঞ্জ সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কারের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বাজেট পাশ হলেই রাস্তাটি সংস্কারসহ দুই পাশ বড় করা হবে।
কেএস/বার্তাবাজার