বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনলাইন ক্লাসেই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদানকার্যক্রম। কিন্তু, নানা ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে শিক্ষার্থীদের বেতন ও অন্যান্য ফি দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অভিভাবকদের। যার ফলে শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেয়াসহ অতিরিক্ত ফি আদায়করছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো।
আজ (সোমবার) বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্ট’স ফোরামের আয়োজনে উত্তরা সাউথ ব্রিজ স্কুলের সামনে এক মানববন্ধনের এসব কথা বলেন অভিভাবকরা।
এসময় চলমান করোনা পরিস্থিতিতে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে অভিভাবকদের সাথে মানবিক আচরণের অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সাথে একাধিক দাবী পেশ করেন তারা।

বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্ট’স ফোরামের সভাপতি আশরাফুল হুদা বার্তা বাজারকে বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে অভিভাবকরা অর্থনৈতিকভাবে ভেঙ্গে পড়লেও ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো তাদের পূর্বের রীতিতেই চলছে। ফলে, অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের বেতন পরিশোধ করতে না পারায় অনেক শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসেও সুযোগ দেয়া হচ্ছেনা।’
তিনি আরো বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো যেন শিক্ষা নিয়ে কোন ধরনের বাণিজ্য করতে না পারে এজন্য সরকারের এখনই নজরদারি করা উচিত। পাশাপাশি ম্যানেজিং কমিটিতে নূন্যতম ২ জন নির্বাচিতঅভিভাবককে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিতে হবে।
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের কিছু কিছু শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট সময়ে বেতন পরিশোধ করতে না পারায় স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে অনলাইন ক্লাস হতে বঞ্চিত এবং একই সাথে ফলাফল প্রদান করছে না জানিয়ে উপস্থিত অভিভাবকরা মানববন্ধনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এছাড়াও যেহেতু স্কুল বন্ধ রয়েছে তাই অনলাইন ক্লাসের ফি ৫০% করার দাবী জানিয়েছেন মানববন্ধনে অংশ নেয়া অভিভাবকরা। তাদের দাবীগুলো হলো-
১. অনলাইন ক্লাসের টিউশন ফি ৫০% করতে হবে
২. টাকার জন্য রেজাল্ট আটকানো যাবেনা
৩. ম্যানেজিং কমিটিতে অভিভাবকদের নূন্যতম ২জন প্রতিনিধি রাখতে হবে
৪. বেতন না দিতে পারা শিক্ষার্থীদের ক্লাস হতে বঞ্চিত করা যাবেনা
৫. ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল পরিচালনায় সরকারি নজরদারি করতে হবে।
বার্তা বাজার / ডি.এস