লক্ষ্মীপুরে রায়পুর উপজেলায় প্রেম করে বিয়ের ২ মাসের মাথায় নববধূকে খুন করেন স্বামী। খুনের ১ মাস পর স্বামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিতে নববধূকে হত্যার কথা স্বীকার করে রাশেদ। গতকাল রাতেই তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিহত গৃহবধূ সীমা(১৯) চরমোহনা গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে রাশেদের(৩০) স্ত্রী এবং দক্ষিণ চরবংশী ইউপির ১নং ওয়ার্ড ছৈয়াল বাড়ির দিনমজুর খোকনের মেয়ে।
গত ৪ মে উপজেলার চরমোহনা ইউপির দক্ষিণ রায়পুর গ্রামের শ্বশুরবাড়ী থেকে সীমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় রায়পুর থানায় জিডি করেছিলেন সীমার মা সালেহা বেগম।
সীমার মা জানান, রাশেদ-সীমার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ৪ মাস আগে দুজনের বিয়ে হয়। উভয়ের পরিবার তাদেরকে মেনেও নেয়। বিয়ের পর রাশেদ জানতে পারেন সীমার বাবা সুইপারের কাজ করে সংসার চালান।
এ নিয়ে প্রায় সময় দুজনের মধ্য তুচ্ছ ঘটনায় মনোমালিন্য ও একাধিকবার সীমাকে মানসিক ও শারিরীক নির্যাতনও করে রাশেদ। পরে সে জিডি করেন।
সালেহা বলেন, সীমার মরদেহ দাফনের পর রাশেদ পালিয়ে যায়। তখনই আমরা বুঝতে পেরেছি সীমাকে রাশেদ খুন করেছে।
রায়পুর থানার ওসি আবদুল জলিল জানান, সীমাকে হত্যার পরদিনই পলাতক ছিলেন রাশেদ। শুক্রবার রাশেদকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানোর পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে। সে স্বীমাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি