স্কুল ভবনটি বাদে সবই নদী গর্ভে বিলীন

উজানি ঢলের তীব্র স্রোত ও চাপের মুখে চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীর চর রাজরাজেশ্বর। তিন দিক থেকে নদীর ভাঙনে মূমূর্ষভাবে দাঁড়িয়ে আছে চরটির একমাত্র আশ্রয় কেন্দ্রটি।

যেকোনো সময় নদী গর্ভে হারিয়ে যেতে পারে স্বাভাবিক সময়ের স্কুল ও দুর্যোগে আশ্রয় নেয়ার এই তিনতলা ভবনটি। ভাঙন শুরু হওয়ায় শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মাপাড়ের সদ্য নির্মিত এই আশ্রয় কেন্দ্রের তিন দিকেই নদী একাকার হয়ে গেছে। গত কয়েকদিন আগে চরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই কেন্দ্রে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল।

চাঁদপুর সদর থানার ওসি মো. নাসিম উদ্দিন জানান, ভাঙনের ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে পুলিশ সদস্যদেরকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

আবার অকাল এই ভাঙনে দিশেহারা হয়ে গিয়েছে চরের বাসিন্দার। নদীগর্ভে হারিয়ে গিয়েছে কয়েকশ পরিবারের থাকার জায়গা, ঘর বাড়ি সব। জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ২ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে মাত্র কয়েকদিন আগে এই আশ্রয় কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শেষ করে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী বেপারী জানান, শুধু লক্ষ্মীরচরই নয়, আশেপাশের ছোট ছোট আরো কয়েকটি চর, একটি উচ্চ বিদ্যালয়, কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাজার, ফসলী জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে বসতবাড়ি হারানো মানুষজন বিভিন্নস্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর