খুলনার খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী এলাকায় স্থানীয় একটি মসজিদ কমিটি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হওয়ার পর এখন পুরো এলাকা বদলে গিয়েছে। কোলাহলে মুখরিত মশিয়ালি এখন যেন ভূতের নগরী। এলাকায় কোনো পুরুষ নেই। অভিযূক্ত সহোদরের বাড়িতে আগুন দিয়েছে উত্তেজিত জনতা।
জাকারিয়া বাহিনীর এলোপাথাড়ি গুলিতে তিনজন নিহত হওয়ার সাথে আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ৭ জন। সেইসাথে স্থানীয় লোকজনের গণপিটুনীতে নিহত হয়েছে এক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তবে ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।
গ্রামবাসী জানিয়েছে, তিনভাই স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা এলাকায় বিচরণ করতো। ঘটনার পর জাকারিয়াকে খানাজাহান আলী থানা কমিটি থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। আর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে আগেই ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির পদ থেকে বহিস্কার করা হয় তার জাফরিনকে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রবিউল ইসলাম জানান, দোষীদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। এসময় গ্রামবাসী হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তিনভাইকে গ্রেফতার ও তাদের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানায়।
উল্লেখ্য, গতকাল সন্ধ্যায় ঐ এলাকায় জাকারিয়া ও তার ভাইদের সাথে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হামলায় মারা যান দুইজন। সেই সাথে আহত হয় অনেকেই। আহতদের হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে আরও একজন মারা যায়। অপরদিকে গনপিটুনিতে মারা যায় এক সন্ত্রাসীও।
বার্তাবাজার/এসজে