ফরিদপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বাড়ছে ভাঙন

ফরিদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার ৯৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যহত থাকায় সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল, চরমাধদিয়া, ডিক্রিরচর ও আলিয়াবাদ ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি রাস্তা তলিয়ে গেছে। জেলায় আগাম বন্যার পানি প্রবেশ করায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রোপা আমন, বোরো ধান এবং সবজি ক্ষেত। ফলে জেলায় এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

পদ্মা নদীর পাশাপাশি মধুমতি ও আড়িয়াল খাঁ নদীর পানি বৃদ্ধিপাওয়ায় ফরিদপুর সদর উপজেলা ছাড়াও সদরপুর, চরভদ্রাসন ও আলফাডাঙ্গা উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরো কয়েকটি গ্রাম। এই চারটি উপজেলার ৩৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এদিকে জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মধুমতী নদীর পানি নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বাজড়া-চরডাঙ্গা পাঁকা সড়কটি নদীগর্ভে সম্পূর্ণরুপে বিলীন হয়ে গেছে। সড়কটি ভাঙনের ফলে ওই এলাকার বাজড়া,চর আজমপুর,চরডাঙ্গা গ্রামের হাজার হাজার মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভাঙন ঝুঁকিতে প্রায় অর্ধশত বাড়িঘর কোনমতে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘ফরিদপুরে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির এ প্রক্রিয়া আরও তিন থেকে চারদিন অব্যাহত থাকবে।’

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর