লাজ ফার্মাকে ২৯ লাখ টাকা জরিমানা

করোনাকালেও থেমে নেই হাসপাতাল এবং ফার্মেসীগুলোর অনৈতিক কাজ। যেমন সরকার ও ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদন না নিয়ে লাগেজ পার্টির আমদানি করা ওষুধ বিক্রি করছিল লাজ ফার্মার কাকরাইল শাখা।

এছাড়াও এই শাখায় অসংখ্য মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ইনজেকশন উদ্ধার করে র‍্যাব। প্রতিষ্ঠানটিকে ২৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হওয়া অভিযান শেষ হয় সন্ধ্যায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু। অভিযানে ৫০ লাখ টাকার ওষুধ ও ইনজেকশন জব্দ করা হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বসু বলেন, কোন ধরনের ওষুধ আমদানি করা যাবে, কোনগুলো আমদানি নিষিদ্ধ তা সরকার নির্ধারণ করেছে। তাছাড়া ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রেও বাধ্যবাধকতা রয়েছে, রয়েছে রাজস্ব পরিশোধের বাধ্যবাধকতাও। কিন্তু কাকরাইলের লাজ ফার্মায় আমরা দেখতে পেয়েছি বিপুল পরিমাণ অননুমোদিত ওষুধ ও ইনজেকশন মজুত করা হয়েছে। যার রাজস্ব পরিশোধ কিংবা যথাযথ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এর অধিকাংশই তারা আমদানি করেছে লাগেজ পার্টির মাধ্যমে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, অভিযানে লাজ ফার্মায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বাক্সে ঘষামাজা করে তারিখ পরিবর্তনের প্রমাণও পাওয়া যায়। এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটির সাতজনকে অভিযুক্ত করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে পাঁচ লাখ করে এবং দুইজনকে দুই লাখ টাকা করে মোট ২৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে প্রায় ৭৬ প্রকারের ৫০ লাখ টাকার অননুমোদিত এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ইনজেকশন জব্দ করা হয়।

কেএস/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর