করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে রোববার (১২ জুলাই) বিকালে গ্রেফতার হয়েছেন জেকেজি গ্রুপের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা। গ্রেফতারের দিনই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জালিয়াতি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। তবে এর আগে তিনি নিজের অপরাধ লুকাতে গণমাধ্যমকে ভিন্ন সময় ভিন্ন বক্তব্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।
তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলায় আগামীকাল (সোমবার) আদালতে তোলা হবে তাকে। সেখানে সাবরিনার ৪ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ।
এদিকে সাবরিনার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সাত ধারায় মামলা হয়েছে। ধারাগুলো হলো,১৭০,২৬৯,৪২০,৪০৬,৪৭১,৪৮৬ ও ৩৪ ধারা। দেশের সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, এসব ধারার মধ্যে- ১৭০ ধারায় সরকারি কর্মকর্তার অপরাধে- ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড। ২৬৯ ধারায় জনস্বাস্থ্য বিষয়কে কেন্দ্র জীবননাশসহ বিরূপ হস্তক্ষেপ করলে- ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড। ৪২০ ধারায় প্রতারণা করায়- ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।
এছাড়া ৪০৬ ধারায় বিশ্বাস ভঙ্গের শাস্তি- ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড। ৪৭১ ধারায় প্রতারণা স্বরূপ সমান অপরাধের শাস্তি পাবে। ৪৮৬ ধারায় অননুমোদিত পণ্য বাজারে বিক্রি করার সহ প্রভৃতির শাস্তি- ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড। ৩৪ ধারায় আসামীদের পরস্পর যোগসাজশে অপরাধে সমান শাস্তির বিধান রয়েছে।
বার্তাবাজার/এসজে