ফ্লাইট সীমিত হওয়ায় টিকিট মিলছে না আমিরাত প্রবাসীদের। এছাড়া রয়েছে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে কোভিড সার্টিফিকেটের বাধ্যবাধকতা। যা বড় ধরনের বিপাকে ফেলেছে যাত্রীদের।নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেতে না পারলে শুধু চাকরি হারানো নয়, শেষ হবে ভিসার মেয়াদ। এ অবস্থায় সোমবার (১৩ জুলাই) থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুরু হচ্ছে বিদেশগামী যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা।
নানা জটিলতা পেরিয়ে অবশেষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ও আবুধাবি রুটে চলতি সপ্তাহেই চালু হচ্ছে বিমানের নিয়মিত ফ্লাইট। তবে করোনা পরিস্থিতিতে রেসিডেন্স পারমিট ও বিজনেস ভিসাধারী প্রবাসীদের অনেকেই দেশটিতে যাওয়ার অনুমতি পেলেও মিলছে না টিকিট।
বিমানসহ সব বিদেশি এয়ারলাইন্স টিকিট রিইস্যু বা টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রবাসীদের। ইকোনমি ক্লাসের আসন পূর্ণ দেখিয়ে নতুন করে বেশি দামে তাদের বিজনেস ক্লাসের টিকিট কেনার জন্য বলা হচ্ছে। প্রবাসীদের অভিযোগ বিমানের সেলস অফিসে টিকিট না মিললেও বাড়তি টাকা দিলে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর কাছে টিকিট মিলছে।
তারা বলছেন, ইকোনমি ক্লাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে না, বিজনেস ক্লাসের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। দাম অনেক টাকা। কিন্তু যেতে না পেরে আমাদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে। আবার টিকিট পেলেও সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রার ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে কোভিড সার্টিফিকেট পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন প্রবাসীরা।
কেএস/বার্তাবাজার