রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো: সাহেদকে চারদিনের চেষ্টার পরও গ্রেফতার করতে পারেনি র্যাব। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে খুঁজে বের করবে। সে যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, তাকে ধরা পড়তেই হবে।
গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) গুঞ্জন উঠেছিল আলোচিত সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। তবে এই গুঞ্জনের সত্যতা এখনো জানা যায়নি।
এদিকে র্যাব জানিয়েছে, যেকোনও সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন সাহেদ। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে এ তথ্য জানান র্যাবের মুখপাত্র ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।
এই র্যাব কর্মকর্তা এও জানান, সাহেদ সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে গেছেন এ ধরণের কোন তথ্য র্যাবের কাছে নেই। তবে তারা অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে বলে দিয়েছেন, যাতে তিনি বাইরে যেতে না পারেন।
সম্প্রতি প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সাহেদের বাবা সিরাজুল করিম। বাবার মৃত্যুর পরও পরিবারের কারও সাথে যোগাযোগ করেন নি সাহেদ। এরপর থেকে গুঞ্জন আরও ভারি হয়েছে, তাহলে কি সত্যিই ভারতে পালিয়ে গেছেন সাহেদ?
এদিকে গত ৪ জুলাই অসুস্থ বাবাকে ইউনিভার্সেল মেডিকেলে ভর্তি করেন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহেদ। ভর্তি করার সময় শাহেদ দাবি করেন, তার বাবা সিরাজুল ইসলামের কোভিড-১৯ সংক্রমণ নেই। তবে পরে পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।
সাহেদের বাবা করোনা সংক্রমণ নিয়ে ইউনিভার্সেল মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পর প্রথম দুইদিন তিনি তার বাবাকে দেখতে গেলেও রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযানের পর থেকে আর যাননি। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার মারা যান বাবা সিরাজুল করিম। পরে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে তার বাবাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তবে সেই জানাজা-দাফনেও ছিলেন না শাহেদ। ছিলেন না শাহেদের স্ত্রী কিংবা কাছের স্বজনরাও। ।।দৈনিক আমার সংবাদ।।
বার্তা বাজার / ডি.এস