ইলিশের মৌসুম শুরু হলেও ইলিশের রাজধানী খ্যাত চাঁদপুরের জেলেদের জালে ধরা দিচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত রূপালী ইলিশ। এতে করে আর্থিক সংকটে পড়ে হতাশায় ভুগছেন জেলার অর্ধ লাখ জেলে।
ব্যবসায়ী ও আড়ৎদাররা বলছেন, করোনার কারণে প্রশাসনের সঠিক নজরদারির অভাবে নির্বিচারে জাটকা নিধনে কমেছে ইলিশের উৎপাদন।
চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের গোবিন্দা গ্রামের জেলে আলী দিদার। চল্লিশোর্ধ্ব এই জেলে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে নদীতে ইলিশ মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এর আগে নদীতে ইলিশের সঙ্কট দেখা দিলেও এ বছরের মত সময় আর আসেনি তার জীবনে। ইলিশের মৌসুম শুরু হলেও জালে মাছ ধরা পড়ছে না বললেই চলে। ফলে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
আলী দিদারের মতই কষ্টে দিন পার করছেন চাঁদপুরের ৫০ হাজারেরও বেশি জেলে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ইলিশের ভরা মৌসুম। তবে, এবার ইলিশের মুখ দেখা যাচ্ছেনা। মাঝে মাঝে দেখা মিললেও তাতে নৌকার খরচ উঠানোই সম্ভব হয় না।
মেঘনা নদীতে ইলিশ না পাওয়ায় হতাশ আড়ৎদাররাও। স্থানীয় জেলেরা নদীতে ইলিশ না পেলেও বরিশাল, ভোলা, বরগুনা থেকে প্রতিদিন ১ থেকে দেড় হাজার মণ ইলিশের আমদানি হচ্ছে চাঁদপুরে।
নদীর স্রোতধারা বৃদ্ধি ও বৃষ্টিপাত হলে জেলেরা ইলিশ পাবে বলে মনে করেন চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি