রাজবাড়ি সদরে হনুফা আক্তার নামে এক নারী তারই গর্ভজাত এক বছর বয়সী কন্য সন্তান সুরাইয়া আক্তারকে পুকুরের পানিতে ফেলে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হত্যাকান্ডের পর থেকেই ঘাতক হনুফা গা ঢাকা দিয়েছেন।
আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে সদর উপজেলার বানিবহ ইউনিয়নের বার্থা বিলপাড় গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। হনুফা আক্তার একই গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী।
এ বিষয়ে হনুফার প্রতিবেশি নমিতা হালদার জানান, দুপুরের দিকে গরুর জন্য খড় আনতে পুকুরের পাড়ে গেলে দেখতে পাই সুরাইয়াকে কোলে নিয়ে বসে আছেন তার মা হনুফা। আমি খড় নিয়ে চলে আসার একটু পরেই দেখি হনুফা দৌড়ে কোথাও চলে যাচ্ছে। আর পুকুরে ভাসছে সুরাইয়া। আমার চিৎকার শুনে শিশুটির নানী পুকুর থেকে তাকে তুলে এনে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা জানান, বছর দুয়েক আগে বার্থা গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ের বিয়ে হয় রাজবাড়ী কোর্টের মামলা লেখক আলমগীর হোসেনের সাথে। গত ছয় মাস আগে স্বামীর বাড়ি থেকে মেয়ে সুরাইয়াকে সাথে নিয়ে বাবার বাড়িতে আসার পর থেকে আর সেখানে যাননি হনুফা।
রাজবাড়ী থানা্র ওসি স্বপন মজুমদার বলেন, খবর পেয়ে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে শিশুটির মাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
বার্তাবাজার/এসজে