সিঙ্গাপুরে গত ৬ মাসে ১৪ হাজার ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত

সিঙ্গাপুরে গত ৬ মাসে ১৪ হাজারেরও বেশি ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত করা হয়েছে। ২০১৩ সালে সর্বোচ্চ ২২ হাজার ১৭০ জনকে শনাক্ত করা হয়। ওই বছরে মারা গেছে আটজন। ডেঙ্গুতে এ বছরে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সিঙ্গাপুরের জাতীয় পরিবেশ এজেন্সি গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছন, সিঙ্গাপুরে মে ও সেপ্টেম্বরের মধ্যে ডেঙ্গু উৎপাত বেশি দেখা যায়। এই সময়ের মাঝামাঝিতে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

ন্যাশনাল ইনভাইরোমেন্ট এজেন্সি (এনইএ) জানায়, বুধবার পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে ৩৩৪টি প্রজননস্থল চিহ্নিত করা হয়েছে। তিন সপ্তাহ আগে ২০৫টি চিহ্নিত করা হয়। দেশটির উডলিঘ ক্লোজ, আলজুনাইড এবং গিলং সড়ক, বুকিত পাঞ্জাং রিং রোড, লিসেস্টার রোড/পোটং পাসির অ্যাভিনিউ ১ এবং বোর্নেমাউথ রোডে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

জানা যায়, কিছু জায়গায় সংক্রমণের হার বেড়েছে। আলজুনায়েদ রোডে ১৯১ জন, বুকিত পাঞ্জাং রিং রোড ১৮৫ জন এবং বোর্নেমাউথ রোডে ১৭৫ জন ডেঙ্গুতে সংক্রমিত হয়েছেন।

দ্রুত হারে ডেঙ্গু ছড়িয়েপড়া অন্যান্য স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে সিঙ্গাপুরের গেল্যাং রোড, গেল্যাং পূর্ব অ্যাভিনিউ ১, ব্রাইটন ক্রিসেন্ট এবং অর্নসালাম চট্টি রোড/কিম ইয়াম রোড। এসব এলাকায় গত দুই সপ্তাহ ধরে গড়ে প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে পাঁচটি নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, শনাক্ত হওয়া বেশিরভাগ মশার প্রজনন হচ্ছে বাড়ি ও আবাসিক অঞ্চলে। গত কয়েক মাস ধরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক প্রচার সত্ত্বেও কিছু মালিক এখনও প্রজনন নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় নিয়মগুলো পালন করছেন না।

বার্তাবাজার/অমি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর