গোপালগঞ্জে দেড় লক্ষ টাকার সরকারি গাছ কর্তন

দেশে করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের জনমনে যখন আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং মানুষ যখন গৃহবন্দি হয়ে পড়েছে ঠিক সেই সময় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাতপাড় ইউনিয়নের সানপুকুরিয়া গ্রামে সরকারি নিয়মনীতির আওতায় সমিতির মাধ্যমে সানপুকুরিয়া গ্রামের রানাপাশা ও নবীনের খালের রাস্তা ও খাস জমিতে লাগানো হয় বিভিন্ন প্রজাতির বনজ ও ফলজ গাছ। একই গ্রামের একটি কুচক্রীমহল মহল প্রকাশ্যে সরকারি নিয়মভঙ্গ করে সেই গাছ কর্তন করে।

বুধবার উপজেলার সানপুকুরিয়া গ্রামের মধ্যে দিয়ে যাওয়া রানাপাশা-নবীনের খালের পাশ থেকে প্রায় ১০০ গাছ কাটার সময় স্থানীয় লোকজন দেখে বাধা সৃষ্টি করে।

অভিযোগ উঠেছে, সানপুকুরিয়া গ্রামের হীরেম্ময় বালা, প্রহ্লাদ চৌধুরী ও খোকন মন্ডলের নির্দেশে এলাকার প্রভাবশালী ৮/১০ জন গাছগুলো কেটে নিয়েছেন। এলাকাবাসী বাধা দিলে স্থানীয় ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কথা বলে অনেক ভয় ভীতি এবং প্রাণনাশের হুমকিও প্রদান করে।

ছবি : বার্তা বাজার

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার ১০-১১ জন অভিযোগ করেন, হীরেম্ময় বালা, প্রহ্লাদ চৌধুরী ও খোকন মন্ডলের ইন্ধনে গাছগুলো কাটা হয়েছে। এসব গাছের মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা। এরা সবসময়ই ভয়ভীতি দিয়ে অন্যের জমি জোরপূর্বক দখল করে খায়। গ্রামের মানুষ এদের কাছে জিম্মি হয়ে আছে।

এবিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর এলাকাবাসীর ৪৯জনের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। যার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়, জেলা ভূমি অফিস, সদর থানা, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি, দুদকসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে।

এবিষয় হীরেম্ময় বালাসহ অন্য অভিযুক্তরা এ ঘটনা অস্বীকার করে বলেন আমাদের ফাঁসানোর জন্য এসব মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর