ঘাটাইলে অভিযোগ নিয়ে ‘বার্তাবাজার’র মুখোমুখি শিক্ষা কর্মকর্তা

টাংগাইলের ঘাটাইল উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দায়ের করে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের কয়েক জন শিক্ষক। গত ৩০ জুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সহ সরকারি কয়েকটি দপ্তরে অভিযোগ লিখিত আকারে প্রদান করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, এই শিক্ষা কর্মকর্তা যোগদানের পর থেকে অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে।নিজ ক্ষমতা বলে মনগড়া শান্তি বিনোদন ভাতা ও ছুটি মঞ্জুর, নীতিমালা বহির্ভূত বদলী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জিনিস পত্র ক্রয় ও ক্ষুদ্র মেরামতের চেক আটকিয়ে টাকা আদায় সহ সিটিজেন চার্টার নিয়মিত অনুসরন না করা।

তবে অভিযোগ গুলোকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত বলে জানিয়েছেন উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষকরা।বুধবার সকাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পয়ষট্টি জন সাধারণ শিক্ষক স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবাদ লিপি দিয়েছেন শিক্ষকরা।তাছাড়া সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে জনপ্রিয় পোর্টাল বার্তা বাজারের মুখোমুখি হন শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।

বার্তাবাজারকে তিনি বলেন, “কোন প্রকার অনিয়ম ও নীতিমালা বহির্ভূত কাজের সুযোগ নেই।দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করছি।সম্প্রতি শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রাপ্তি নিয়ে কয়েকজন শিক্ষক আমার নামে যে অভিযোগ দায়ের করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে রেজিস্টার অনুসরন করেই চারশত ছাপ্পান্ন জন শিক্ষককে এই ভাতা প্রদান করা হয়েছে।বাজেট স্বল্পতায় কিছু শিক্ষক বাদ পরেছে, তাদের পরবর্তীতে বাজেট আসার সাথে সাথে ভাতা দেওয়া হবে।বিগত বছরের শ্রান্তি বিনোদন প্রাপ্ত শিক্ষকদের ক্রম অনুসরন করেই ভাতা প্রদান করা হয়েছে।”

নীতিমালা বহির্ভূত বদলী বিষয়ে বলেন,”নিয়ম মাফিক সরকারি নীতিমালা অনুসরন করেই বদলী কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।” বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের ক্ষুদ্র মেরামতের রুটিন মেইন্টেন্স, ওয়াশব্লক মেরামতের বিষয়ে আনিত অভিযোগ মিথ্যা দাবী করে বলেন,”আমি দায়িত্ব গ্রহণ করি ০৯/০৯/২০১৯ ইং, পূর্বের কিছু কাজ বাকি ছিলো যা শেষ করে যাচাই বাছাই করতে কিছুটা সময় লাগে এবং যাচাই বাছাই পূর্বক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র মেরামতের চেক প্রদান করি।”

সিটিজেন চার্টার নিয়মিত অনুসরন করা হয় দাবী করে এই কর্মকর্তা জানান, আমার অফিস সকলের জন্য উন্মুক্ত।আমি দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি সিটিজেন চার্টার অনুযায়ী সেবা দিতে। আমার অফিসের স্টাফ অপ্রতুলতার ধরুন দু একদিন দেরী হতে পারে।

উপজেলার শিক্ষক বার শতাধিক আর কর্মকর্তা-কর্মচারী মাত্র দশ জন।কিছু শিক্ষক ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের জন্য এবং আমাকে ব্যক্তিগত ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এই অভিযোগ দায়ের করেছে।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর