সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা,এই পেশাটিকে সম্মান করেই নবম শ্রেনী থেকেই শখের বসে এ পথে আসে সুজন মোহন্ত। এই দীর্ঘ ৮ বছরে পেরিয়েছে এ পথের। এই ৮ বছরের কখনো কারো কাছ থেকে সাংবাদিকতার দোহাই দিয়ে চাঁদা দাবি করেননি বলেও জানা যায়।
সাংবাদিক সুজন মোহন্ত বার্তা বাজারের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। সম্প্রতি তিনি সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতিসহ অবহেলিত মানুষের পাশে দাড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
সুজন মোহন্ত জানান, গতকাল উলিপুরের ধামশ্রেনীর ঘটনাটি সত্যি কষ্টকর,আমি চিলমারীতে ছিলাম, সিনিয়রদের মধ্যে এশিয়ান টিভির মোল্লা হারুন, দিগন্ত পত্রিকার রেজাউল করিম রেজা, তাদের ক্যামেরাম্যান ভুবন কুমার সেখানে ছিলো, আমি একাই আলাদাভাবে গিয়েছিলাম চিলমারীতে একটি সংবাদ সংগ্রহ করার জন্য।
সেখানের কাজ শেষে সিনিয়ররা বললো, আমরা ধামশ্রেনীতে যাচ্ছি, তুমি যাবে? তারা যেতে বলার কারণে কোন কারণ না জেনে আমি ধামশ্রেনীর স্পটে যাই, সেখানে আমি একটি দোকানের সামনে টঙে বসে ছিলাম, সিনিয়ররা ছবি তুলতেছিলো, হঠাৎ সিনিয়রা স্পট থেকে দ্রুত সটকে পড়ে। আমি কারণ জানতে চাইলে তারা আমাকে কোনো কিছু না বলে স্পটে একা রেখে চলে যায় ।
তারপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই স্থানীয়রা তাদের না পেয়ে আমার উপর চড়াও হয়। মোবাইল-কার্ড ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয়দের একজন আমার কাছ থেকে জোর জবরদস্তি করে ১টি স্বীকারোক্তি নেয়।
স্বীকারোক্তিতে স্পষ্ট আমি দায়ী নই বা জড়িত নই এবং স্থানীয়রা পরে উলিপুর থানাতেও একি স্বীকারোক্তি দেই যে আমি জড়িত নই তাদের সাথে । পরে স্থানীয় কয়েকজন সংবাদকর্মীর সহায়তায় আমি সেখান থেকে উদ্ধার হই।
আমি বিষয়টি নিয়ে খুবই মর্মাহত,আমি ঘটনার পরিস্থিতির শিকার । এই দীর্ঘ বছরে ভালো কাজ করেও কখনো কেউ আমার বিপক্ষে এরকম অভিযোগ আনতে পারবে না। সেখানে গতকালের ঘটনায় আমি সম্পূর্ন পরিস্থিতির শিকার ।
ভিডিও..
সিনিয়রদের চাঁদাবাজিতে ফাঁসানো হলো সাংবাদিক সুজন মোহন্তকে
সিনিয়রদের চাঁদাবাজিতে ফাঁসানো হলো সাংবাদিক সুজন মোহন্তকে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুনhttp://bartabazar.com/archives/188587
Gepostet von Barta Bazar am Dienstag, 30. Juni 2020
বার্তা বাজার/এস.আর