ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নগদ অর্থ সহায়তা চাওয়ায়া কল্পনা রাণী দাস নামের এক নারীকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্যের নামে।
গত বুধবার (২৪ জুন) ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চার নম্বর ওয়ার্ডে।
জানা যায়, উপজেলার মজলিশপুর এলাকার শ্মশানের জায়গায় ঘির তুলে স্বামী ও ৩ সন্তানকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন কল্পনা রাণী দাস। তার স্বামী পাশেই তিতাস নদীতে নোউকায় যাত্রী পারাপার করে সংসার চালান।
ভুক্তভোগী কল্পনা জানান, ‘আমরা শ্মশানের পাশে যেখানে থাকি সেই জায়গাটি ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন। প্রধানমন্ত্রীর নগদ উপহার পেতে প্রথমে ওয়ার্ডের সদস্য আওয়াল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তিনি সাড়া না দেওয়ায় চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য খুরশেদ আলমের কাছে যাই। আড়াই হাজার টাকা থেকে পাঁচ শ টাকা দিতে হবে— এমন শর্তে তিনি উপহারের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে দেবে বলে আশ্বাস দেন। আমার কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও রাখেন। কয়েকদিন পরে জানান, তালিকায় নাম উঠে গেছে।’
তিনি আরও জানান, ‘বুধবার রাতে খুরশেদ আমাকে তার বাড়িতে ডেকে পাঠান। আমিরপাড়ায় তার বাড়িতে যাওয়ার পরে তিনি পাঁচ শ টাকা দাবি করেন। টাকা পাইনি বলায় খুরশেদের ছেলে খায়েশ মিয়া লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করে। আমার ডান হাত ভেঙে গেছে। কোমরসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত লেগেছে। আমি ইউএনও অফিসে অভিযোগ করেছি।’
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণোবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়া জানান, ‘ভিকটিম ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছে। যেহেতু ঘটনাটি মোবাইল কোর্টের মধ্যে পড়ে না, সে জন্য আমি নিজে ঘটনাটি তদন্তের ব্যবস্থা নিয়েছি। সদর থানার একজন উপপরিদর্শক তদন্ত করছেন।’
বার্তাবাজার/এসজে