নিখোঁজের ১৯ দিনেও সন্ধান মেলেনি বেবী আক্তারের

মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে নিখোঁজের ১৯ দিনেও সন্ধান মেলেনি সাড়ে ৩ বছরের কন্যা সন্তানের জননী গৃহবধূ বেবী আক্তারের।

উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের খাসনগর গ্রামের মৃত মোক্তার হোসেন মেয়ে বেবী আক্তারের গত ৭ বছর আগে বিয়ে হয় একই উপজেলার রাজনগর গ্রামের আঃ কাসেমের ছেলে ফারুক হোসেনের সাথে। তাদের সংসারে রয়েছে সাড়ে ৩ বছরের একটি কন্যা সন্তান।

গত ২ জুন স্বামীর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন বেবী আক্তার। নিখোজের মা রাসিদা বেগম থানা পুলিশ ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের জানানোর পরও এখনো সন্ধান পাননি বেবী আক্তারের।

এবিষয়ে বেবী আক্তারের মা রাসিদা বেগম কান্নারত অবস্থায় অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় প্রতিনিধি আবজাল মেম্বারের ভাগিনা বেবী আক্তারের স্বামী ফারুক হোসেন। তাই আবজাল মেম্বারের নিকট এবিষয়ে জানালে আমাকে সে বিভিন্ন খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেয়। এবিষয়ে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ বলে আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। ১৯ দিন হলো আমার মেয়ের কোন খোঁজ খবর পাচ্ছি না। রাসিদা বেগম আরো জানান, আমার নাতনি ফারিয়াকে ওরা ৬ মাস বয়সে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। আমি খবর পেয়ে টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনি। আমার মেয়ের জামাই সব সময়ই নেশা করে।

এবিষয়ে বালুচর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবজাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বেবী আক্তারের সাথে একাধিক পুরুষের পরকীয়া সম্পর্ক আছে সে আমার বাড়িতে ১ মাস বুয়া হিসেবে কাজ করেছে। সে সময় একাধিক ছেলেদের সাথে ফোনে কথা বলতো তাই তাকে কাজ থেকে বিদায় করে দিয়েছি। তিনি আরো জানান, বেবী আক্তার তার স্বামীর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় নাই, তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছে।

সিরাজদিখান থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, অভিযোগ তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর