বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে দেশে সংক্রমনের দিক দিয়ে কক্সবাজার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় দফা রেড জোন ঘোষণার পরে কঠোর লকডাউনের মাঝেও জেলায় সর্বশেষ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৬০৫জনে দাড়িয়েছে। এই অবস্থায় করোনা আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যা বিশিষ্ট ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) এবং ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট (এইচডিইউ) চিকিৎসা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন ইউএনএইচসিআর এর অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।
আজ শনিবার সকাল ১১টায় অনলাইন কনফারেন্সের মাধ্যমে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা সদর হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাইমুম সরওয়ার কমল এটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন।
এমপি কমল বলেন, কক্সবাজার জেলায় স্থানীয় এবং রোহিঙ্গা মিলে অন্তত ৩৫ লাখের বেশী মানুষের বসবাস। জেলাবাসীর চিকিৎসা সেবার জন্য এ হাসপাতালটি একমাত্র ভরসা। এখন থেকে কক্সবাজারের কোন রোগীকে বিনা চিকিৎসায় মরতে হবে না।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ও উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, ইউএনএইচসিআরের সাথে চুক্তি অনুযায়ী করোনা সংকট নির্মূল হওয়া পর্যন্ত ডাক্তার থেকে শুরু করে বিশেষায়িত এই ইউনিটের সমস্ত ব্যয় ভার ইউএনএইচসিআর বহন করবে।
বার্তা বাজার / ডি.এস