লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী হাট ভোলা-বরিশাল মহাসড়কের ১০ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা। পুরো রাস্তায় খান-খন্দ আর বড় বড় গর্ত। অল্প বৃষ্টিতেই হাটু সমান পানি হয়। যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী হওয়ায় ভোগান্তির শিকার লক্ষ্মীপুর সহ দক্ষিনাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ।
প্রায় তিন মাস যাবত সড়কটির বেহালদশা। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে চালকরা। দ্বীর্ঘদিন মেরামত না করায় ঘটেছে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনাও। এছাড়া অল্প বৃষ্টিতেই হাটু সমান পানি থাকায় সকল ধরণের যান চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এই সড়ক দিয়ে ভোলা-বরিাশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, ফিরোজপুরসহ প্রায় ২১ জেলার মানুষ যাতায়াত করে। সড়কের মজুচৌধুরীহাট ল ঘাটের অংশসহ বেশ কয়েকটি স্থান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।
সড়কটি ২১ জেলার আভ্যন্তরীন সংযোগ হওয়ায় এবং ল ঘাট ফেরিঘাট থাকায় প্রতিদিন চলাচল করে শত শত মালবাহী গাড়ীসহ বিভিন্ন যানবাহন। বেহাল এই সড়কে দিয়ে যানবাহন ধীর গতিতে চলার ফলে চট্রগ্রাম-সিলেটসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আশা মানুষ সময় মতো ফেরি ও লঞ্চ না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হয়।
একই সাথে মজুচৌধুরী হাট ব্যবসায়ী কেন্দ্র হওয়ায় চলাচল করছে ছোট-বড় কয়েক শতাধিক গাড়ী। মেঘনার ইলিশ, চরা লের শাক-সবজি, ধানসহ বিভিন্ন ফসল এই সড়ক দিয়েই সরবরাহ করা হয়। সড়কের বেহালদশার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারাও।
অন্তত সাময়িক সময়ের জন্য মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে দেয়ার দাবী স্থানীয় ও গাড়ী চালকদের। সড়কের বেহালদশার কথা স্বীকার করেছে সড়ক বিভাগ। তবে ১৮ ফিট রাস্তা অচিরেই ৩৬ ফিট হবে এমন দাবী করে দ্রুত সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তারা। এছাড়া সড়কটি মেরামতে একশ কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, ওয়ার্ক অর্ডার অপেক্ষায় আছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
কে.এ.স/বার্তাবাজার