ময়মনসিংহের নান্দাইলে স্বাস্থ্য বিধি না মানায় কোভিড-১৯ (করোনা) ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। লকডাউন শীথিল হওয়ায় জনগণের এই উদাসীনতায় করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের অবিরাম কর্মতৎপরতা চালিয়ে যাওয়া সত্বেও সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি মানছেনা সাধারন জনগণ। জীবিকার পিছনে দৌড়ে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে করোনার এই মহামারীতে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদেরকে।
সরজমিন দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও শপিংমলে স্বাস্থ্য বিধি না মেনেই চলাফেলার করছে সাধারন মানুষ। এছাড়া গণপরিবহনেও নিয়ম না মেনে স্বাস্থ্য সচেতনতাহীনভাবে চলছে চলাফেরা। দৃশ্য প্রতীয়মান সারাদেশে এই ভাইরাসে সংক্রমণের বাস্তবতা লক্ষ্য করেও মুখে মাক্স ব্যাবহার না করে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে চলছে অবাধে চলাফেরা।
আর এতেই করোনার ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুকিঁ বেড়েই চলছে। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মোতাবেক উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩১ জন। তন্মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৮ জন এবং হোম আইসোলোশনে আছে ২৩ জন। এরই মধ্যে শুক্রবার (১৯ মে) ২০ বছর বয়সী মোরসালিন নামে এক যুবক করোনায় প্রথম মৃত্যু ঘটে।
জানাযায়, মোরসালিন উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের পাচরুখি গ্রামের সাইদুর রহমানের পুত্র। সে করোনা পজেটিভ নিয়ে ময়মনসিংহ জেলা সদর হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ ইকবাল আহম্মেদ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এভাবে দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকলে উপজেলাটি রেডজোনে পরিণত হতে পারে। এছাড়া লকডাউন শিথীল হওয়ায় চলতি জুন মাসেই নান্দাইলে এর সংক্রমন বেশী দেখা গেছে।’
নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন জানান, করোনা সংক্রমন রোধে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং করোনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে না আসা পর্যন্ত উক্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বার্তাবাজার/এমকে