করোনাভাইরাসের বন্দি সময়ে সোস্যাল মিডিয়াতে আড্ডায় ব্যস্ত ছিলেন তামিম ইকবাল। ক্রিকেটপ্রেমীরাও উপভোগ করেন তামিমের সেই আড্ডা। নিয়ম করে সতীর্থদের নিয়ে অনলাইনে সরাসরি আসেন ওয়ানডে কাপ্তান।
তামিমের এমন উদ্যোগ বেশ প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। বাহবা জানিয়েছেন খোদ বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও। এমনকি তামিমের লাইভে একাধিক বোর্ড কর্তাও উপস্থিত হয়েছিলেন।তামিমের লাইভ অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। তবে বর্তমানে ক্রিকেটারদের লাইভ আড্ডা চলছে নিয়মিত। সম্প্রতি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সতর্ক করেছে ক্রিকেটারদের। সবগুলো ক্রিকেট বোর্ডকে চিঠিও দিয়েছে আইসিসি। এনিয়ে নড়েচড়ে বসেছে বিসিবি। ক্রিকেটারদের লাইভ নিয়ে তাই কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে বিসিবি।
এ প্রসঙ্গে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান বলেন, ‘আমরা যখন ক্রিকেটারদের সঙ্গে চুক্তি করি তখন এই বিষয়গুলোর বিধিনিষেধ ও করণীয় জানিয়ে দেই। ক্রিকেটাররা জানে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে তাদের করণীয় কী। এখন আইসিসি যে চিঠি দিয়েছে তাতে যদি নতুন কিছু থাকে অবশ্যই আমরা তা নিয়ে আলোচনা করবো। আর এখন আমাদের যে গাইডলাইন দেয়া আছে তা মেনেই ক্রিকেটারদের লাইভ করতে হবে।’
আকরামের সুরে সুর মিলিয়েছেন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজামুদ্দিন চৌধুরী সুজন। তিনি জানিয়েছেন, ‘ক্রিকেটারদের সাথে চুক্তির সময়ই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে তারা কি করতে পারবেন আর কি পারবেন না।’
বিসিবির আরেক পরিচালক এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন জানান, ‘প্রতিটি ক্রিকেটারের সঙ্গে চুক্তির সময় টিভি থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের আচরণ কেমন হবে, কী বলা যাবে বা যাবে না তা উল্লেখ থাকে। এই বিষয়গুলো ক্রিকেটাররা অবগত আছে। আইসিসি সতর্ক করেছে। অবশ্য আমরা বিষয়টা দেখছি। যদি কিছু বলার থাকে তা আলোচনা করেই সিদ্বান্ত নেয়া হবে।’
কে.এ.স/বার্তাবাজার