প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যায় এক লাখ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ। দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো গত ৮ মার্চ একদিনেই তিনজনের শরীরে মরণঘাতী করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছিল আইইডিসিআর।
দেশে গত ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এরপর প্রায় প্রতিদিনই বাড়তে থাকে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়তে থাকে মৃত্যুর সংখ্যাও। দেশে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যু ব্যাপক আকার ধারণ করে। এরপর দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদ কেন্দ্রিক মানুষের অবাধ গমনাগমনে ব্যাপক হারে বেড়েছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩ হাজার ৮০৩ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এদিনে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১ লাখ ২ হাজার ২৯২ জন। দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ৩৪৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সুস্থ হয়েছে ১ হাজার ৯৭৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪০ হাজার ১৬৫ জন।
মরণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। করোনা শনাক্তের সংখ্যার ভিত্তিতে দেশকে রেড, ইয়োলো ও গ্রিন এই তিনটি জোনে ভাগ করছে সরকার। কোন এলাকায় কোন রঙ থাকবে সেটার জন্য বিভিন্ন নীতিমালাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
গত ৩১ ডিসেম্বরে চীনের উহান প্রদেশের হুবেই প্রদেশে করোনার অস্তিত্ব শনাক্ত করা হয়। হুবেইকেই করোনাভাইরাসের উৎসস্থল ধরা হলেও শনাক্তের পরবর্তী তিনমাসে চীন করোনা পরিস্থিতি ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছিল। কিন্তু বাংলাদেশের চিত্রটা একদমই ভিন্ন।
ওয়ার্ল্ডওমিটারের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পর্যন্ত করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী ৪ লাখ ৫১ হাজার ৬৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছে ৮৪ লাখ ১৭ হাজার ১০০ জন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছে ৪৪ লাখ ২৯ হাজার ১২২ জন।
বার্তাবাজার/এমকে