করোনা প্রাদূর্ভাব মোকাবেলায় বিভিন্ন সময়ে শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যুগান্তকারী নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহন করে আসছে। বিভিন্ন পদক্ষেপ ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনসাধারণের মধ্যে মাস্ক ব্যবহারে আরো সচেতন করতে “মাস্ক নেই, কোন সেবা নেই” উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াছিন কবীরের ফেসবুক স্টাটাস হুবহু তুলে ধরা হল, No Mask No Service বর্তমান পরিস্থিতিতে মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই। কিন্তু তথাপিও কিছু মানুষের মাঝে মাস্ক ব্যবহারে অনীহা রয়েছে।মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, এবং নিয়মিত 20 সেকেন্ড হাত ধোয়া সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।
জনগণকে মাস্ক ব্যবহারে আরো সচেতন করতে উপজেলা প্রশাসন, শ্রীপুর No mask No Service প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছে। এই প্রোগ্রামের মূল বক্তব্য হলো যে মাস্ক পরবেনা, তাকে সার্ভিস (সেবা) দেয়া যাবে না।
এই নীতি সকল প্রকার সরকারি ও বেসরকারি সেবা প্রদান প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সকল সরকারি অফিস সেবা প্রদানে এ নির্দেশনা প্রতিপালন করবে। অফিসের প্রবেশমুখে দৃশ্যমান স্থানে No Mask, No Service লেখাটির টাঙিয়ে দিতে হবে। একই সাথে দোকান, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসমূহ এই নীতি বাস্তবায়ন করবে-মাস্ক বিহীন ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি করা যাবে না। দোকানের দৃশ্যমান স্থানে No Mask No Service অথবা ‘মাস্ক নেই, বিক্রি নেই’ লেখাটি টাঙিয়ে রাখবে। এর ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতা দায়ী হবেন।
গণপরিবহনে মাস্ক বিহীন যাত্রী থাকলে গাড়ী চালক বা সুপারভাইজার দায়ী হবেন। সকল জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন স্তরের সমাজসেবী, স্বেচ্ছাসেবীরা এই আন্দোলনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।। বাজার কমিটির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক দোকান মালিক/ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বার্তাটি প্রচার করবে।মোবাইল কোট, পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।। শ্রীপুর তথা দেশকে ভালো রাখতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাকে সামাজিক আন্দোলন রূপান্তর করার বিকল্প নেই।
বার্তাবাজার/এমকে