লক্ষ্মীপুরে আজ তৃতীয় ধাপে চলছে লকডাউন, আজ পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯জন মারা গেছে। মোট আক্রান্ত ৪৪৮ জন। এরমধ্যে সদর উপজেলা আক্রান্তের সংখ্যা ২০৮ জন।
সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুল গাফফার জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় দুই সপ্তাহের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত চিকিৎসাধীণ রোগীর পরিসংখ্যান অনুযায়ী এক লাখ জনবসতি এলাকায় ১০ জন আক্রান্ত রোগী থাকলে ওই এলাকায় রেডজোন হিসেবে চিহিৃত করে এ লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর এবং কমলনগর উপজেলায় প্রতি লাখে আক্রান্ত রোগী ১৭ জন। রামগঞ্জ উপজেলায় ১০জন, রায়পুর উপজেলায় ৫জন এবং রামগতি উপজেলায় ৬ জন। লক্ষ্মীপুর পৌরসভা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ১,২,৫,৬,৭,১১ এবং ১৫ নং ওয়ার্ড, এছাড়া সদরেরে ৭টি ইউনিয়ন দক্ষিণ হামছাদী, মান্দারী, দালালবাজার, পার্বতীণগর, কুশাখালী, চন্দ্রগঞ্জ, বাঙ্গাখা। রামগতি আলেকজান্ডার ইউনিয়ন, রামগঞ্জ ও রায়পুর পৌরসভা এবং কমলনগরের ৪টি ইউনিয়ন। হাজিরহাট, চরফলকন, চরলরে এবং তোরাবগঞ্জ রেডজোনের আওতায় থাকবে।
এসময় ব্যাংকিংক কার্যক্রম বন্ধ ও ওষুধের দোকান, মুদি-কাঁচামাল সহ সকল প্রকার দোকান-পাট বন্ধ থাকবে। সকল ধরণের যানবাহন চলাচলের উপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে লকডাউনের বিষয়ে জানেনা সাধারন মানুষ কিংবা ব্যবসায়ীরা।
প্রশাসনের পক্ষে থকে রাত ১০ টার পর মাইকিং করায় লকডাউনের খবর জানেনা তারা। ফলে সকালে বাজার গুলোতে দেখা গেছে শত শত মানুষের উপচে পড়া ভীড়। ক্রেতা-বিক্রেতা মানছেনা কেউই ঘোষিত লকডাউন।
বার্তাবাজার/এমকে