ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

দেশের সর্ব দক্ষিন ইউনিয়ন টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪০হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এঘটনায় কাউকে আটক করতে না পারলেও চেয়ারম্যানসহ ৪জনকে পলাতক আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে টেকনাফ মডেল থানা।

মামলার অপর আসামীরা হলেন- শাহ আলম, দীল মোহাম্মদ ও লালাইয়া। প্রত্যেকে সাবরাং ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং ইয়াবা পাচারকারী।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ও একই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেনের বসতবাড়ি থেকে গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, চেয়ারম্যান নুর হোসেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারী। তবে তার বিরুদ্ধে এপর্যন্ত থানায় মাদক সংক্রান্ত কোনো মামলার রেকর্ড নেই।

ওসি আরো জানান, অপর তিন ইয়াবা পাচারকারী শাহ আলম, দীল মোহাম্মদ ও লালাইয়া দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা কারবারের সাথে জড়িত রয়েছে। এই তিন কারবারী এক লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি মিয়ানমার থেকে পাচারের সংবাদে পুলিশ উদ্ধার অভিযানে নামে। অভিযানকালীন সময়ে এরা কৌশলে পালিয়ে যায়।

তবে ঘটনায় টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও টেকনাফ উপজেলা যুবলীগ সভাপতি নুরুল আলম এবং চেয়ারম্যান নুর হোসেনের শ্বশুর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শফিক মিয়ার দাবী, চেয়ারম্যান নুর হোসেন কখনো ইয়াবা পাচারের সাথে জড়িত ছিল না। এমনকি বিগত সময়ে নূর হোসেন নিজেই ইয়াবা পাচারকারীদের বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছেন এবং সরেজমিন ইয়াবার চালান উদ্ধারে প্রশাসনকে সহায়তা করেছে। অথচ পুলিশ উল্টো একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মামলায় আসামি করেছে বলে অভিযোগ তুলেন।

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর