যুদ্ধাপরাধের বিচার এবং ব্লগার হত্যা

ইমতিয়াজ মোর্শেদ: জাতি হিসাবে বাঙালী আজীবন দ্বিধান্বিত। নিজের পরিচয় থেকে শুরু করে বিশ্বাস পর্যন্ত সবকিছুতেই তাদের দ্বিধা। দেশ ও জাতির জন্ম-ঊষালগ্ন তাদের চোখে ঘোলাটে। পশ্চিম পাকিস্তানীদের শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেয় এদেশের সাধারণ জনগণ। রক্তের দামে কিনে নেয় বাংলাদেশ নামের এই ছোট্ট ভূখণ্ড। মাত্র ৪৪ বছর আগের কথা; অথচ কত সহজে ভুলে গেছে তারা। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আমাদের আলাদা হওয়ার উদ্দেশ্যই ছিল শোষণ মুক্ত সেক্যুলার দেশ গড়া কিন্তু এখন সেই লক্ষ্য বদলে হয়েছে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র গড়া। এদেশের কিছু মানুষ এখনো মনে করে এখানে কেউ যুদ্ধাপরাধ করেনি তাই যুদ্ধাপরাধীও নাই। অর্থাৎ দ্বিধার পরিধি যুদ্ধাপরাধ পর্যন্ত পৌছে গেছে। পরিধির শেষ এখানেই নয়, অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়েও বিতর্ক করেন। এমনকি কাওকে এরকমও বলতে শুনেছি, মুক্তিযুদ্ধ কি সত্যিই হয়েছিল! ত্রিশ লক্ষ মানুষ কি শহীদ হয়েছিল, যদি হয়েও থাকে সেটা কে গুনেছিল কিভাবে গুনেছিল ইত্যাদি!? যুদ্ধাপরাধ বিচার প্রসঙ্গে অনেকেই ভ্রু-কুচকে বলেন, মুজিবতো সাধারন ক্ষমা করে দিয়েছিল তাহলে আবার বিচার কেন!? এটা ক্ষমতা দখল ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের একটা ষড়যন্ত্র মাত্র। যারা এগুলো বলেন তাদের জানা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়, কারন বঙ্গবন্ধু সাধারন ক্ষমা করেছিলেন ঠিকই কিন্তু সেই ক্ষমা কাদের জন্য প্রযোজ্য ছিল সেটা ভালোভাবে জানা দরকার।

মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত ঘাতক দালাল বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালে প্রণয়ন করা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩। ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ চালু করে এই বিচার বন্ধ করে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য যে সেই আইনের অধীনেই বর্তমানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হচ্ছে। গনহত্যা সংক্রান্ত জাতিসংঘ ঘোষনা রেজুলেশনের ২৬০(৩) ধারার অনুচ্ছেদ ২ এ নির্ধারন করা হয়েছে , শুধু হত্যা নয় আরো কিছু অপরাধ গনহত্যা হিসেবে গন্য হবে — ১।পরিকল্পিত ভাবে একটি জাতি বা গোষ্ঠিকে নির্মুল করার জন্যতাদের সদস্যদেরকে হত্যা বা নিশ্চিহ্নকরন ২।একই উদ্দেশ্যে শারীরিক বা মানসিক ক্ষতিসাধন ৩।একটি জাতি বা গোষ্ঠিকে নির্মুল করার উদ্দেশে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে তারা সম্পুর্ন বা আংশিক ভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় ৪।এমন পরিবেশ তৈরী করা যাতে একটি জাতি বা গোষ্ঠীর জীবনধারন কষ্টসাধ্য , সেই সংগে জন্মপ্রতিরোধ করে জীবনের চাকা থামিয়ে দেয়া হয় ৫।একটি জাতি বা গোষ্ঠি শিশু সদস্যদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে তাদের জন্ম পরিচয় ও জাতিস্বত্বা মুছে ফেলা । গনহত্যার সংজ্ঞা নির্ধারনের পর ধারা ৩ এ গনহত্যা সংশ্লিষ্ট অপরাধ সমুহ ও চিহ্নিত করা হয়েছে ১। গনহত্যা চালানো ২।গনহত্যা চালানোর ষড়যন্ত্র/পরিকল্পনা করা ৩। প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে গনহত্যা উস্কে দেয়া ৪।গনহত্যা চালানোর চেষ্টা করা ৫।গনহত্যায় যে কোন প্রকারে সহযোগী হওয়া ও সমর্থন করা ধারা ৩ এর পর ধারা ৪ এ বলা হয়েছে– উপরোক্ত যে কোনো একটি অপরাধেই, অপরাধী যুদ্বাপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবে- তা সে সাংবিধানিক সরকার, সরকারের আজ্ঞাবাহী কর্মচারী, কোন দল কিংবা একক কোনো ব্যক্তি ই হোক । ধারা ৭ এ আবার স্পষ্ট করে বলা হয়েছে — ধারা ৩ এ বর্নিত অপরাধ সমুহ কোনো ভাবেই রাজনৈতিক অপরাধ বলে গন্য হবেনা । বাকী সব কিছু বাদ দিচ্ছি, ধারা ৩ এর ৫ নম্বর উপধারা কি বলে? গনহত্যায় সহযোগীতা করা কিংবা যে কোনো ভাবে সমর্থন জানানো ও যুদ্ধাপরাধ । ২৫ শে মার্চ রাত থেকে বাংলাদেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কি কাজ করছিল? পাকিস্তান সেনাবাহিনী কি গনহত্যা চালাচ্ছিলোনা? ২৫ শে মার্চ রাতে শুধু মাত্র ঢাকাতেই কয় হাজার বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছিলো পাকবাহিনী? ২৫ শে মার্চের পর থেকে ১৬ ই ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে কারা পাকবাহিনীকে সমর্থন জানিয়েছিলো? পাকবাহিনীকে সমর্থন জানিয়ে গোলাম আজম-নিজামীদের শত শত বিবৃতি আছে । ১৯৭১ এর মে মাসে খুলনায় জামায়াতের ৯৬ সদস্য নিয়ে যে রাজাকার বাহিনী গঠিত হয় সেপ্টেম্বরের ৭ তারিখে সেই বাহিনী টিক্কা খানের সামরিক অধ্যাদেশ বলে নিয়মিত বাহিনীর সহযোগী হিসেবে নথিবদ্ধ হয় । এরা সেনাবাহিনীর মতোই বেতনভুক্ত ছিলো । রাজাকার ছাড়া আলবদর ও আলশামস নামে বাহিনীগুলো গঠিত হয় এগুলোর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে কারা ছিলো? রাজাকার-আলবদর-আলশামস বাহিনী তৈরী হয়েছিলো পাকবাহিনীর সহযোগীতা করার জন্য । পাকবাহিনী নয় মাস জুড়ে গনহত্যা চালিয়েছিলো । সুতরাং পাকবাহিনী যদি গনহত্যার জন্য দায়ী হয় তাহলে এদের সহযোগী বাহিনী সমুহ এবং এইসব বাহিনীতে যুক্ত জামাতের নেতৃবৃন্দ সেই দায় এড়াবে কি করে? যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষেত্রে অনেকেই যুক্তি দেখান মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের অনেকের (কাদের মোল্লা, সাঈদি বা কামরুজ্জামান) বয়স অনেক কম ছিল (প্রকৃতপক্ষে যা সত্য নয়); সুতরাং তাদের পক্ষে এসব করা সম্ভবই ছিলনা। আচ্ছা ধরেই নিলাম, তাদের বয়স কম ছিল, আচ্ছা কত কম ছিল! সাঈদির বয়স নাকি ১২-১৫ বছর ছিল (যদিও পরে সার্টিফিকেট থেকে জন্মসাল অনুযায়ী সাঈদি তখন ৩০-৩১ বছরের টগবগে জোয়ান)। কিন্তু ১৫ বছরের কম বয়সী কিশোররা যদি অস্ত্র হাতে পাকিদের বিপক্ষে যুদ্ধ করতে পারে তাহলে তারা কেন খুন হত্যা ধর্ষন করতে পারবেনা, উপরন্তু যখন তাদের পাশে পাকিরা ছিল!

১২ ডিসেম্বর ২০১৩ দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর হলো। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে কাদের মোল্লার ফাঁসির আদেশ গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কার্যকর করা হয়। এর আগে গতকাল সকালে রিভিউ আবেদন খারিজ হওয়ার পর ফাঁসির প্রস্তুতি শুরু করে কারা কর্তৃপক্ষ। ১২ এপ্রিল ২০১৫ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিদের মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে কামারুজ্জামানের শাস্তি কার্যকর করা হলো। ২২ নভেম্বর ২০১৫ রবিবার রাত ১২:৫৫ মিনিটে দুই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তারা একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মধ্যে যুদ্ধাপরাধও সম্পৃক্ত। ফলে স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারিক আদালত থেকে, আপিল বিভাগ হয়ে রিভিউ আবেদন ও সর্বশেষ পর্যায় অপরাধের স্বীকার করতঃ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার সুযোগ পেয়েছে তারা। এবং সব পর্যায়ে ব্যর্থ হওয়ার পর তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের কল্যানে আমরা এখন একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের মালিক। এই রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করতেই আমাদেরকে বুঝতে হবে যুদ্ধাপরাধ থেকে শুরু করে মানবতার বিরুদ্ধে অন্য যেকোন অপরাধের শাস্তি বিধানে সচেতন নাগরিকদের রাষ্ট্রকে ঠিক ভাবে রাস্তা দেখান দরকার। মুক্তিযুদ্ধের মত একটা ঘটনা এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যপারে নিরাবেগ থাকা কঠিন কিন্তু যেই রাষ্ট্রকে আমরা পেয়েছি সেই রাষ্ট্রের প্রতি আকাঙ্ক্ষার কথা মনে রেখেই আমাদেরকে যুদ্ধাপরাধের মত বিষয়কে কোন রাজনৈতিক পক্ষাবলম্বনের দৃষ্টিতে না দেখে বা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার কৌশল হিসাবে ব্যবহার না করে যুক্তিপূর্ণ দৃষ্টিতে দেখতে হবে। গত ৩৮ বছরের সুবিধাবাদী রাজনীতির পংকিলতায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ দুই প্রধান দলেই যুদ্ধাপরাধীদের প্রবেশ ঘটেছে। বিএনপি’র ক্ষেত্রে এটি শুধু রাজনৈতিক পংকিলতা ছিলোনা, তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডা ও ছিল তা। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারনী পর্যায়ে কি কোন যুদ্ধাপরাধীদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে? হলে আশংকার কথা। না হলে মধ্যম, নিম্নপর্যায়ের উচ্ছিষ্টদের জন্য দলটি আত্নঘাতি সিদ্ধান্ত নেবেনা বলে মনে হয়। ইতিহাসে যদি দ্বিমত না থাকে তবে ইতিহাস বলে যে জামাত দল হিসেবেই যুদ্ধাপরাধী ছিল, ব্যক্তি হিসেবে নয়। তারপরেও দেখা যাবে যে, যেটা নিয়ে কান্নাকাটি করছে, জামাতকে বিচারের মুখোমুখি করানো হচ্ছে না, জামাতের বা অন্য ইসলামী দলের বা যারাই যুদ্ধাপরাধীদের সাথে যুক্ত ছিল স্বাধীনতার সময় তাঁদেরকেই বিচারে আনা হবে। কোন একক দলকে বিচারে আনা হচ্ছে না। আরেকটি কথা- যেটা হচ্ছে ধর্ম ভিক্তিক দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা, সেটা ভিন্ন বিষয়। সাংবিধানিক বিষয়। সেটা ঠিক না বেঠিক সেটা ভিন্ন প্রসংগ। সেটার সাথে যুদ্ধাপরাধী বিচারকে গুলিয়ে ফেলা মানে প্রকান্তরে জামাতী ফাঁদে পা দেওয়া। তাঁরা ধর্ম ভীরু মানুষদের ধোকা দিয়ে নিজেরা (যারা যুদ্ধাপরাধী) বাঁচতে চাইছে।

দেশে ২০১৩ সালে ব্লগার হত্যার মধ্য দিয়ে একের পর এক চলে বিভিন্ন নির্মম হত্যাকাণ্ড। এর মধ্যে লেখক, সাহিত্যিক, ব্যবসায়ী ও গৃহবধূ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে থাকে। এখন পর্যন্ত ব্লগার রাজীব হত্যা মামলার রায় ছাড়া আর কোনো মামলার অগ্রগতি নেই বলে পরিবারের অভিযোগ। মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশও তেমন কিছু জানে না। সব কিছুর তদন্ত মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ করছে বলে জানান তারা। রাজীব হত্যাকাণ্ড ছাড়া বাকিগুলোর তদন্ত এখনো চলছে এবং সেগুলোর চার্জশিট কবে নাগাদ দেওয়া হবে তাও নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি মহানগর পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজন ব্লগারকে তাদের লেখালেখির কারণে হত্যা করা হলেও একটি বাদে কোনো মামলারই চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি নেই। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারি যখন যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ বিচার ফাঁসির দাবিতে উত্তাল শাহবাগের আন্দোলন; ঠিক তখন আন্দোলনেরই এক কর্মী রাজীব আহমেদ দুর্বৃত্তদের চাপাতির আঘাতে নিহত হন। এ হত্যাকাণ্ডটিই ছিল ব্লগে লেখালেখির অপরাধে বাংলাদেশে প্রথম কোনো হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। তাতে জড়িত সন্দেহের ভিত্তিতে সাতজনকে আটক করে পুলিশ এবং তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের ১১ মাস পর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করা হয়। এ ঘটনার পর গত বছরের ২৬ ফেব্র“য়ারি মুক্তমনা নামে একটি ব্লগ সাইটের প্রতিষ্ঠাতা বিজ্ঞানবিষয়ক লেখক অভিজিৎ রায়ও নিহত হন দুর্বৃত্তদের হামলায়। সঙ্গে স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাও মারাত্মক আহত হন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শফিউর রহমান ফারাবী নামে একজনকে আটক করে পুলিশ। এখনো অভিজিৎ, নীলাদ্রি, নাজিমুদ্দিন ও ওয়াশিকুর হত্যা ঘটনার চার্জশিট দেওয়া হয়নি। সেগুলোর তদন্ত এখনো চলছে। কবে নাগাদ চার্জশিট দেওয়া হবে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’

আর যুদ্ধাপরাধীর বিচার করাই শেষ কথা নয়, বন্ধ করতে হবে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি । যেহেতু নিরংকুশ ভাবে সকল ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোই এদেশের জন্মযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিলো সেহেতু এ দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি চলতে পারেনা । যে রাজনীতি রাষ্ট্রের জন্মের বিরোধীতা করেছিলো,সেই রাজনীতি রাষ্ট্রের কল্যান কামনা করবে-এমোন ইউটোপিয়া থেকে বের হয়ে আসা খুব জরুরী ।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।