বিশ্বব্যাপী চলমান করোনার কারনে বিভিন্ন মাত্রায় সারাবিশ্বেই কমবেশি লকডাউন চলছে। যার ফলে গৃহবন্দি মানুষের আয় রোজগারও কমে যাচ্ছে। মানুষ হচ্ছে দরিদ্র। এমন সময় এক আন্ত্ররজাতিক গবেষণায় ভয়টা যেন আরও বেড়ে গেল। গবেষণায় বলা হচ্ছে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বিশ্বে অতিরিক্ত ৩৯ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অতি দরিদ্র হবে। এর ফলে বিশ্বে অতি দরিদ্রের সংখ্যা বেড়ে ১১২ কোটিতে দাঁড়াবে।
শুক্রবার (১২ জুন) ইউনাইটেড ন্যাশনস ইউনিভার্সিটির অংশ ইউএনইউ-ডব্লিউআইডিইআর প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে দরিদ্র সীমার লোক হিসাবে বিশ্বব্যাংক যাদের গন্য করে তাদেরকেই ধরা হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের হিসেবে, এক দিনে ১ দশমিক ৯০ ডলার বা তার কম আয় করা মানুষদের চরম দরিদ্র। আর উচ্চ দারিদ্র সীমা বলতে প্রতিদিন ৫ দশমিক ৫০ ডলার আয় করা মানুষদের বলা হয়েছে।
করোনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বাজে চিত্রটি হবে মাথাপিছু আয় বা ভোগ ২০ শতাংশ কমে যাওয়া। এর ফলে চরম দারিদ্রসীমায় বাস করা মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১১২ কোটি হতে পারে।
একইভাবে ভোগ সংকোচন বা বা হ্রাস হতে পারে ৫ দশমিক ৫০ ডলার আয় করা উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। এর ফলে ৩৭০ কোটি বা বিশ্বের অর্ধেক মানুষ এই দারিদ্র সীমার নিচে বাস করবে।
চরম দারিদ্রতার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়া। আবার এই অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে ভারত।
বার্তাবাজার/এসজে