রাজশাহীর পুঠিয়ায় গ্রাহকদের জামানতের প্রায় এক কোটি টাকা নিয়ে বর্ষা মাঝদিঘা ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি নামের একটি এনজিও উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে এনজিওর জেনারেল ম্যানেজারসহ ১০ জনকে আসামি করে পুঠিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারও হয়েছেন উপজেলার বেলপুকুর থানার এনজিও কর্মী মহিনি (১৮), জুঁই (২৩) ও বর্ষা (১৮)।
জানা যায়, গত জানুয়ারি মাসে স্থানীয় ঝলমলিয়া বাজারের মাজুওহারুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে বর্ষা ক্ষুদ্র মাঝদিঘা নামের এই এনজিওটি তাদের ক্ষুদ্র ঋণের কার্যক্রম শুরু করে। বেকারত যুবক যুবতীদের নানান কথা বলে সংগঠিত করে ঋণ দেয়ার শর্তে দিনমজুর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৩ থেকে ৭ হাজার টাকা করে জামানত নেয়।
গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গ্রাহকদেরকে ঋণ দেয়া হবে বলে অফিসে ডাকা হয়। কিন্তু অফিসে এসে গ্রাহকরা দেখে সেখানে তালা ঝুলছে। উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাত্রহে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। পরে এনজিওটির তিনজন কর্মী অফিসে আসলে তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তাদের কাছ থেকে কোন সদুত্তর না পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।পরে পুলিশ এসে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় ।
পরে ঝলমলিয়া বাজারের কমরুল ইসলাম বাদি হয়ে পুঠিয়া থানায় এনজিওটির জেনারেল ম্যানেজার কামরুল ইসলামসহ ১০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
এবিষয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল ইসলাম জানান, আটক এনজিও তিন কর্মীদের আদালতের মাধ্যমে জেলা হাজতে পাঠানো হবে। অন্যান্য আসামীদের আটকের চেষ্টা অব্যহত আছে।
উল্লেখ্য, বানেশ্বর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য নামে-বেনামে সমিতি ও এনজিও।
বার্তাবাজার/এসজে