করোনার ভয়ে গার্মেন্টসে কাজ করতে না যাওয়ায় নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে খুকু মণি (২০) নামের এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বাড়ির লোকজনের নামে। বুধবার (১০ জুন) রাতে উপজেলার তেথুলিয়া গ্রামে স্বামীর ঘরেই তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।
নিহতের পরিবার জানায়, বছর তিনেক আগে তেথুলিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের মেয়ে খুকু মনির সাথে বিয়ে হয় একই গ্রামের গোলাম রাব্বানীর ছেলে মোতাকাব্বীরের। বিয়ের পর স্বামী স্ত্রী ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে বাড়িতে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন। সম্প্রতি করোনার কারণে গার্মেন্টসে কাজ না থাকায় তারা বাড়িতেই অবস্থান করছিল। গার্মেন্টস খোলার পর খুকু মনি করোনার ভয়ে আবার ঢাকায় যেতে আপত্তি করায় তাদের সংসারে দন্দ্ব শুরু হয়।
বিষয়টা মিটমাট করে দেয়ার জন্য খুকু মনির ভাই এরশাদ ও ভাবির কাছে যান মোতাকাব্বির। রাত ১০টার দিকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে আসার কিছুক্ষণ পড়েই খুকুমণির চিৎকার শুনতে পান প্রতিবেশিরা। ঘরে গিয়ে দেখেন সে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের স্বামী মোতাকাব্বীর, শ্বশুর রব্বানী মিয়া শাশুড়ি ফজিলত খাতুন ও দেবর মোতাচ্ছিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে নিহতের বাবা বাদী হয়ে মোতাকাব্বীরসহ ৪ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ খান জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নিহত গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বার্তাবাজার/এসজে