লঞ্চে পা রাখার জায়গা নেই, পাটুরিয়ায় তীব্র যানজট

মরণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে পদ্মাসেতুতে ৩১তম স্প্যান বসার কাজ চলায় শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে সব ফেরি ও লঞ্চ বন্ধ রাখা হয়েছে। যানবাহনের চাপে দেখা দিয়েছে যানজট ও দূরপাল্লার যানবাহনের দীর্ঘ সারি।

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টার পর থেকে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ পড়েছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে।

এ সময় ঘাটে আসা যাত্রীরা জানান, জীবন ও জীবিকার তাগিদে তারা করোনার ঝুঁকি নিয়েই লঞ্চে করে পার হচ্ছেন।

ঘাট কর্তৃপক্ষ বলেন, সকাল ১০টার পর থেকে এ এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহন আসতে থাকে। এতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের ছোট-বড় মোট ১৮টি ফেরি চলাচল করছে।

তবে ঘাট এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহন আসায় অ্যাম্বুলেস, পচনশীল কাচামালবাহী ট্রাক, দূরপাল্লার পরিবহনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিকে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। এতে করে বেশি জমে যাচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাক। দুপুর ১২টার দিকে পাটরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ৮শতাধিক যানবাহন পারের অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে লঞ্চে করোনাভাইরাসের আতঙ্ক আর ঝুঁকি নিয়ে গাদাগারি করে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে এ নৌরুটে ২২টি লঞ্চ চলাচল করছে। লঞ্চের ভিড় নিয়ন্ত্রণে নৌ-পুলিশসহ বিআইডব্লিউটিসির কর্তৃপক্ষের কাউকে দেখা যায়নি।

রফিক নামের ঢাকামুখী একজন লঞ্চযাত্রী বলেন, শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুট বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া হয়ে পাটুরিয়া আসলাম, লঞ্চে পা রাখার জায়গা নাই এমন অবস্থা। এত গাদাগাদি করে যাওয়াটা নিজের ভেতরে ভয় করছে করোনা নিয়ে। এখন কি করা আল্লাহ ভরসা।

মাগুরা থেকে আসা মো. সফিকুল ইসলাম নামের আরেক যাত্রী বলেন, তিন মাস ধরে কাজ বন্ধ। হাতে যা টাকা ছিল তা দিয়ে এতদিন চলেছি। এখন কাজে না গেলে না খেয়ে পরিবারের সবাইকে নিয়ে মরতে হবে। তাই করোনার মরায় ভয় উপেক্ষা করে কাজে যাচ্ছি।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর