নীলফামারীর ডিমলায় সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিমাংশু কুমার রায়কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ১৯০ টন চাল ও সাড়ে ১৩ হাজার খালি বস্তা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলাও হয়েছে ডিমলা থানায়।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে অভিনব পন্থায় চাল আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দীন দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির প্রধান নীলফামারী সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহমুদ হাসান গেল ৭ ও ৮ জুন তদন্ত কাজ শেষ করেন।
তদন্তে ৮০ লাখ ৩০ হাজার ৮৭৮ টাকা মূল্যের ১৮৯ দশমিক ২৭০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা মূল্যের ৫০ কেজি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ১৩ হাজার ৪২৫টি খালি বস্তা আত্মসাৎ করার প্রমাণ পাওয়া যায় হিমাংশুর বিরুদ্ধে।
তদন্ত রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) ডিমলা সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিমাংশু কুমার রায়কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জগদীশ চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন অভিযুক্ত হিমাংশু কুমার রায়ের বিরুদ্ধে।
তদন্ত কমিটির প্রধান মাহমুদ হাসান বলেন, গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিমাংশু কুমার রায়কে সাময়িক বরাখাস্ত করে থানায় মামলা করা হয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গুদাম সিলগালা করে দেন।
তবে পরবর্তীতে প্রশাসনিকভাবে গঠিত কমিটি শত ভাগ ওজন করে প্রকৃত আত্মসাতের পরিমাণ নিরুপণ করবেন।
বার্তা বাজার / ডি.এস