ঈশ্বরগঞ্জে কাঁচামাটিয়ার প্রবাহ ফেরাতে অভিযান

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে কাঁচামাটিয়া নদীর প্রবাহ স্বাভাভিক রাখতে অবৈধ ঘের উচ্ছেদ করা হয়েছে। সোমবার ভ্রম্যামান আদালত আভিযান চালিয়ে নদীতে বানা, জাল ব্যবহার করে ঘের দিয়ে পানি প্রবাহ রোধ করে মাছ চাষ করায় ৪ ব্যক্তিকে অর্থদ- আরোপ করা হয়েছে।

উপজেলা সদরের ভেতর দিয়ে কাাঁচামাটিয়া নদীটি বয়ে নান্দাইলের নরসুন্দা নদীতে মিলিত হয়। মৃতপ্রায় নদীতে প্রস্থ জুড়ে বানা ও জাল দিয়ে প্রবাহ রোধ করে স্থানে স্থানে স্থায়ী ভাবে চাষ করা হয় মাছের। ঈশ্বরগঞ্জ কাঁচামাটিয়া সেতুর নিচে গত বছর খানেক আগে উপজেলা কৃষি বিভাগের সহায়তায় একটি ভাসমান সবজি চাষের প্রদর্শনী করা হয়। পরবর্তীতে সেখানে জাল, বানার ঘের দিয়ে করা হচ্ছে মাছ চাষ।

নদীর প্রস্থের প্রায় অর্ধেকের বেশি অংশের পানি প্রবাহ আটকে চলছে সেখানে মাছ চাষ। নদীর পানি প্রবাহ আটকে দেওয়ায় ক্রমশ শ্রী হারাচ্ছে নদীটি। এছাড়া নদীর বিভিন্ন স্থানে পানি প্রবাহ আটকে দেওয়ায় প্রাকৃতিক মাছ কমে যাচ্ছে ক্রমশ। উদ্ধুত পরিস্থিতিতে নদীর বুক থেকে প্রতিবন্ধকতা দূর করে পানি প্রবাহ স্বাভাভিক করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ওই অবস্থায় সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেনের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাঈদা পারভীনের নেতৃত্বে নদীতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। ঈশ^রগঞ্জ শহর থেকে তারুন্দিয়া ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া বাজার পর্যন্ত বড়হিত ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া বাজার পর্যন্ত নদী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ১২ টি অবৈধ ঘের উচ্ছেদ করা হয়। ঘের দিয়ে নদীর পানি প্রবাহ রোধ করে মাছ চাষ করায় ৪ ব্যক্তিকে ৬ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। অর্থদ-প্রাপ্তরা হলেন- মঞ্জু মিয়া, সোহরাব আলী, মোন্তাজ আলী, মো. নূরুল হক।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এএসএম সানোয়ার রাসেল বলেন, নদীগে জাল ও বানা দিয়ে ঘের দিয়ে পানি প্রবাহ রোধ করায় ১২ টি স্থানে উচ্ছেদ চালানো হয়। ওই সময় ৪ ব্যক্তিকে অর্থদ- দেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। নদীর প্রবাহ ঠিক রাখতে অভিযান অব্যহত থাকবে।

বার্তা বাজার/সি.কে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর