ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) গত ২ মে চালু হয় করোনা ইউনিট। এর পর থেকে ইউনিটটিতে ৩৩ দিনে ৩৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবারও (৪ জুন) ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগেরদিন পর্যন্ত মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মাঝে ৭৯ জন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। আর ২৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা উপসর্গ নিয়ে।
উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়াদের করোনা পরীক্ষা করে অনেকেরই পজেটিভ এসেছেন। আবার অনেকেরই নেগেটিভ এসেছে। মারা যাওয়া কয়েকজনের ফলাফল এখনও আসেনি।
নানা বিষয় নিয়ে শুরু থেকেই অভিযোগ ছিল এই ইউনিটে চিকিৎসা নিতে আসা স্বজনদের। ভর্তি প্রক্রিয়া, ডাক্তার-নার্সদের অপেশাদারী আচরণ, জরুরী প্রয়োজনে সাড়া না পাওয়া এমনকি মৃত্যুর পর ছাড়পত্র পাওয়া নিয়েও ছিল নানা ধরনের অভিযোগ।
অনেক সময় পাওয়া যায়নি অক্সিজেন, ভেন্টিলেশন ও আইসিইউ সুবিধাও। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ভোগান্তির অভিযোগ সুর্নিদিষ্ট নয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আলাউদ্দিন আল আজাদ জানান, সবমিলিয়ে ঢামেকে ৭৫০ জন করোনা রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। শুরুর পর থেকে ৩১শে মে পর্যন্ত ১ হাজার ৬৩৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ২৯৩ জন করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, করোনার উপসর্গ ও করোনা পজিটিভ নিয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন সাড়ে তিনশ রোগী। এরমধ্যে মে মাসের শেষ দিন পর্যন্ত করোনা পজিটিভ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৬৬ জন। শুধু যে মৃত্যুবরণ করছেন এমন না অনেক রোগী আছেন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে।
বার্তাবাজার/এসজে