পানির বিল, বাসভাড়া, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি। সব বাড়বে সাথে বেড়ে যাবে লাশের সংখ্যা। তবুও থাকবে না কোন জবাবদিহিতা কারন আমরা সবাই তো চুপ।
আপনাকে যেকোনো কিছুই অর্জন করতে হলে মৌলিক ব্যাপারে একমত ও সংঘবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে অধিকার আদায় করতে হয় তা হয়তো আমরা ভুলেই গেছি শুধু কে কি করলো আপনি করলেন তাই নিয়েই ব্যাস্ত।
আজ অন্যের বেলায় অজুহাত দিয়ে বেঁচে যেতে চান বা এড়িয়ে যেতে চান কোন সুযোগ পাবেন না যদি দেশ ও জাতি ভালো না থাকে কোন সুযোগ নেই। তাই বলছি সকলে অধিকার আদায়ে সোচ্চার হোন। অন্যের উপর অন্যায় হলে চুপ! নিজের উপর কিছু হলেই ন্যায়বিচার? তাতে কিন্তু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় না করা যায় না আশা করাও বোকামি।
অন্যায়, অত্যাচার, চুরি, দালালী, লুটপাট, মিথ্যা, ডিজিটাল চাঁদাবাজি সবই বাড়ছে শুধু উধাও হয়ে যাচ্ছে ন্যায়বিচার। দয়া করে এড়িয়ে যাবেন না, যার যতটুকু দায়িত্ব ততোটুক পালন করুন, তবেই হয়তো দেশ, জাতি ও সমাজে শান্তি ফিরবে।
দেখুন সমাজ ব্যাবস্থাটা কিরকম ভয়ংকরভাবে সাজানো হচ্ছে শোষণকারীর জন্য। এতোদিন গণপরিবহন বন্ধ ছিল পরিবহন শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে তখন পরিবহন মালিক ও নেতারা এগিয়ে আসেনি অথচ আজ তারা জনগণের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।
যেখানে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে সেখানে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানোই সবচেয়ে বড় জুলুম। বহু গার্মেন্টস শ্রমিক ছাটাই করা হয়েছে তাহলে প্রানোদনা দেওয়া হয়েছিল কার স্বার্থে???
দেশের প্রতিটা জায়গায় সমন্বয়হীনতা অনিয়ম ও লুটপাট চলছে এর লাগাম এখনই টেনে না ধরলে তার ফলাফল হবে ভয়াবহ। এইসব অনিয়মরোধে এখনই যদি রুখে দাড়ানো না যায় তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কি এক অন্ধকারাবৃত দেশ রেখে যাচ্ছি না আমরা!
বার্তাবাজার/কাফিল