করোনা পরিস্থিতির মধ্যে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে গণপরিবহন চলাচল শুরুর ২৪ ঘণ্টায় ৭৯০টি যাত্রীবাহী বাসসহ তিন হাজরেরর বেশি যানবহান পারাপার হলেও আজ সকাল থেকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ নেই রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে।
মঙ্গলবার (০২ জুন) সকাল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে গাড়ীর কোন দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যানবাহনগুলো দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে এসে ফেরিতে করে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে গিয়েছে।
দৌলতদিয়া নৌ বন্দরের দায়িত্বরত বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ বলেন, গণপরিবহন চলাচল শুরুর পর থেকে ২৪ ঘন্টায় ৭৯০টি যাত্রীবাহী বাস পারাপার করা হয়েছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ১৪টি ফেরি চলাচল করলেও বর্তমানে যানবাহন না থাকার কারণে ফেরির সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আসা যাত্রীরা জানান, বাসে অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে তারা ব্যাটারী চালিত গাড়ীতে দৌলতদিয়া ঘাট পর্যন্ত এসে ফেরিতে অথবা লঞ্চে পার হচ্ছে।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আসা যাত্রী মো. আসাদ মিয়া জানান, বাসে সামাজিক দূরত্ব মেনে ঢাকায় যাবার মতো ভাড়া তার কাছে নেই তাই ব্যাটারী চালিত গাড়ীতে পাংশা থেকে দৌলতদিয়া পর্যন্ত এসেছি। এখান থেকে লঞ্চে পাটুরিয়া গিয়ে সেখান থেকে আবার অন্য কোন যানবাহনে ঢাকায় যাবো।
দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির (ওসি) আব্দুল মুন্নাফ জানান, দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা দৌলতদিয়া নদী বন্দরের নিরাপত্তা সহ সামাজিক দূরত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছে।
বার্তাবাজার/এমকে