ময়মনসিংহে নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল গ্রামের ব্যবসায়ী মতিউর রহমান মতির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা মিথ্যা দাবী করে তা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
সোমবার (১ জুন) দুপুরে নগরীর দূর্গাবাড়ী রোডে একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মতিউর রহমান মতির মেয়ে পপি আক্তার।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২৬ মে জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদ ৭৯ বস্তা চাল উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত চালগুলো দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ টাকা কেজি দরের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল এবং তা কালো বাজরে ক্রয়কৃত উল্লেখ করা হয়।
পরে ৩০ মে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা বাদী হয়ে আঠারো বাড়ি খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা মো: আশরাফ আলী (৫২), মৎস্য খাদ্য ব্যবসায়ী মতিউর রহমান মতি(৫৫) সহ ৪জনকে আসামী করে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
পপি আক্তার বলেন, কোন সরকারী চাকুরিজীবী বা চাল সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী কিংবা ঐ চালের সাথে কোন ধরনের সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্বেও প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে স্থানীয় কোন চক্রের প্ররোচনায় তার বাবাকে মিথ্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে। এতে তিনি এবং তার পরিবার বিস্মিত হয়েছেন বলেও জানান।
তিনি দাবী করেন, ঐ চালের সাথে কিংবা কোন ধরণের চাল ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক নেই। তার বাবা মতিউর রহমান মূলত একজন মাছের খাদ্যের ব্যবসায়ী। তার কোন চালের মিল কিংবা খাদ্য ব্যবসার লাইসেন্সও নেই।
তাদের পারিবারিক বিরোধের প্রতিপক্ষ কিংবা অন্যকোন চক্রের প্ররোচনায় তার বাবাকে ঐ মামলায় মিথ্যা আসামী করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তিনি মামলা থেকে তার বাবার নাম প্রত্যাহার করার দাবী জানান। তিনি তার বাবাকে হয়রানীর তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
কেএ/বার্তাবাজার