মরণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই শিমুলিয়া ঘাট থেকে চালু হয়েছে গণপরিবহন। ১৪টি পরিবহনের প্রায় ৫শ’ বাস শিমুলিয়া-ঢাকা রুটে চলাচল করে। সব বাসই সচল রাখা হয়েছে। এখানকার বেশিরভাগ বাসই ৫২ সিটের। এখন ২৬ জন করে যাত্রী বহন করা হচ্ছে।
দীর্ঘ ৬৭ দিন পর আজ সোমবার (০১ জুন) সকাল থেকে বাস সার্ভিস চালু হলেও যাত্রীদের চাপ কম রয়েছে।
শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর হিলাল উদ্দিন বলেন, গণপরিবহন চালু হলেও কঠোরভাবে সরকারের নির্দেশনা পালন করা হচ্ছে। তবে এখানে যাত্রীর চাপ অপেক্ষাকৃত কম। রবিবার থেকেই অফিস খোলা ছিল, ঈদের পরের চাপ কমে গেছে। এসব কারণেই প্রয়োজন ছাড়া লোকজন বের হচ্ছে কম।
এদিকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে গণপরিবহন চলাচলের বিষয়ে সোমবার বেলা ১১টায় শিমুলিয়া পুলিশ কন্ট্রোল রুমে সভা আয়োজন করেছে পুলিশ। এতে পুলিশ কর্মকর্তা ছাড়াও বাস, স্পিডবোট ও লঞ্চ মালিক সমিতি এবং ইজারাদাররা এতে অংশ নিয়েছেন।
শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি রুটে ১৪টি ফেরিতে করে স্বাভাবিক পারাপার চলছে। ঘাটে ঘাটে যানবাহন তেমন অপেক্ষায় নেই। অল্প সময়ের মধ্যেই ফেরিতে উঠতে পারছে। ৮৭টি লঞ্চ এবং সাড়ে ৪শ’ স্পিডবোটেও যাত্রী পারাপার চলছে। তাই ফেরিতে আগের মতো গাড়িবিহীন যাত্রীর চাপ নেই। ছোট আকারের যানবাহন- কার, মাইক্রো, পিকআপ এবং মোটরবাইক বেশি পারাপার হচ্ছে। এছাড়াও বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যানও পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে রাজধানীগামী যান ও যাত্রী বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম সফিকুল ইসলাম বলেন, গাড়ির চাপ তেমন নেই। গাড়ির জন্য ফেরির অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কারণ ফেরি তো খালি ছাড়া যাচ্ছে না। তবে দীর্ঘদিন পর নাইট কোচগুলোও সোমবার থেকে পারাপার হবে।
বার্তাবাজার/এমকে