প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও চালু হচ্ছে গণপরিবহন। করোনার সময়ে যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে বাসভাড়া দ্বিগুণ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বিআরটিএ। তবে যাত্রী বহন করা যাবে অর্ধেক সিটে।
এদিকে আগামীকাল থেকে চালু হচ্ছে ট্রেও। চালু হতে যাওয়া আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতেও অর্ধেক টিকিট বিক্রি হবে। তবে অনলাইনে ছাড়া টিকিট মিলবে না। আর লঞ্চে উঠতে দেয়া হবে না মাস্ক ছাড়া।
দুই মাসের অচলাবস্থা ভেঙে আবারও সচল হচ্ছে দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। রোববার থেকে আট জোড়া ট্রেনের মাধ্যমে উন্মুক্ত হচ্ছে রেলপথ।
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রেল ভবনে ট্রেন চলাচলের বিস্তারিত তুলে ধরে ব্রিফ করেন রেলমন্ত্রী। জানান অনলাইনে টিকিট কাটতে হবে। ট্রেনে থাকবে না কোন খাবার সার্ভিস, অবশ্যই পরতে হবে মাস্ক।
রেলমন্ত্রী বলেন, ‘একটা ট্রেনের ক্যাপাসিটি যদি হয় ৫০০ সিট। তাহলে বিক্রি করবো আড়াইশো সিট। আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত কি অবস্থা দাঁড়ায় সেটা পর্যবেক্ষণ করা হবে। সরকার সব সময় চায় দেশ স্বাভাবিকভাবে চলুক। রেল যেহেতু সরকারি তাই সরকারের ডিশিসন ছাড়া রেলের ভাড়া বাড়ানোর চিন্তা করছি না।’
এদিকে, সরকারি নির্দেশে সোমবার থেকে মহাসড়কে বাস চালাতে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করেছে মালিক পক্ষ। এ সময়, সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে বাসে অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের শর্তে ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ করার সুপারিশ আসে।
এদিকে নৌপথে যাত্রী পরিবহনে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সদরঘাটের সবগুলো গ্যাংওয়েতে জীবাণুনাশক টানেল বসানো হচ্ছে। প্রত্যেকটি গেটের টিকিট কাউন্টারে দুরত্ব নিশ্চিত করতে রং দিয়ে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এছাড়া লঞ্চে যাতে সামাজিক দুরত্ব মেনে যাত্রী বহন করা হয়, তদারকিতে সক্রিয় থাকবে বিআইডব্লিউটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বার্তা বাজার / ডি.এস