ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মুশুল্লী ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের নিরীহ ব্যাক্তি নজরুল ইসলামের অর্ধ লক্ষাধিক টাকার গাছ কর্তন করার এক গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফিল্মী কায়দায় দিবা লোকে নজরুল ইসলামের দখলীয় পৈত্রিক সম্পত্তিতে রূপনকৃত একটি বিদেশি জাতের কাঠ গাছ সহ ৪/৫টি সুপারি গাছ ও বাশেঁর ঝাড় সহ প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
থানায় দায়েরকৃত এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, একই গ্রামের মৃত আব্দুল আহাদের দুই পুত্র জালাল উদ্দিন, সেনা সদস্য জহিরুল ইসলাম ও তাদের স্বজন সজীব মিয়া জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের হিসাবে দিবা লোকে নিরীহ ব্যাক্তি নজরুল ইসলামের এই ক্ষতি সাধন করেন। শুধু তাই নয় উক্ত নিরীহ ব্যাক্তির জায়গা দখল করতে তাকে নানা ধরনের হুমকী ও কৌশল অবলম্বন করে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছে বলে নজরুল ইসলাম জানান। এ বিষয়ে নজরুল ইসলাম সঠিক বিচারের দাবীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে এর কোন সুরাহা পাননি।
পরে তিনি বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। নিরীহ নজরুল ইসলাম আরো জানান, “জালাল উদ্দিনের ছোট ভাই ইসলাম উদ্দিন সেনা সদস্যের চাকুরি জয়েন করার পর থেকে সেনা সদস্যের পাওয়ারের ভয় দেখিয়ে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সহ আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে মারধর করেছে এবং আমার গাছপালা কেটে পৈত্রিক ভিটামাটি দখলে নিয়ে আমাকে ও আমার পরিবারকে উচ্ছেদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমার বাবার এই ৮ শতাংশ সম্পত্তি ৫০/৫৫ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছি।” এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য এরশাদ মিয়ার সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বর্তমানে সঠিক বিচারের দাবীতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন নিরীহ নজরুল ইসলামের পরিবার। অভিযুক্ত জালাল উদ্দিন ও জহিরুল ইসলাম গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “আমরা কাগজ অনুযায়ী কয়েকটি গাছ কেটে দিয়েছি। আমার বাবার সম্পত্তি সে দখলে রেখেছে, আর আমাদের নামে উক্ত জায়গার বিআরএস রেকর্ডও রয়েছে।”
বার্তা বাজার/টি.সি