দিনাজপুর জেলার বিরামপুরে বিষাক্ত মদ পান করে মদ্যপ দম্পতিসহ ১০ জনের প্রাণহানী হয়েছে। এতে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন আরও ৬ জন। এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় এক হোমিওপ্যাথির চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ।
বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে নিহতরা হলেন- বিরামপুর পৌর এলাকার হঠাৎপাড়া মহল্লার শফিকুল (৫৫) ও তার স্ত্রী মঞ্জু আরা (৩৫), মাহমুদপুর গ্রামের সুলতান আলীর ছেলে মহসীন আলী (২৭),তোজাম্মেলের ছেলে আজিজুল (৩০), আনোয়ার হোসেনের ছেলে আ. মতিন (২২), আ. আজিজের ছেলে সোহেল রানা (৩০), আবুল হোসেনের ছেলে মনোয়ার হোসেন (৪২), আ. খালেকের ছেলে আবদুল আলীম (৪০) ও ইসলামপাড়ার তাপস বাক্সির ছেলে অমৃত্যু বাক্সি (২৪) ও কাজীপাড়া মহল্লার ইসরাফিলের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪২)।
জানা যায়, মঙ্গলবার (২৬ মে) নেশা করে ফূর্তি করার উদ্দেশ্যে তারা সবাই বিষাক্ত অ্যালকোহল পান করেন। ওইদিন সন্ধ্যা থেকেই তারা অসুস্থতাবোধ করে পরদিন (বুধবার) সকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে একে একে ১০ জন মারা যায়। একইসাথে দৃষ্টিশক্তি হারান ৬ জন।
এই ঘটনার খবর পেয়ে, বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী সরকার টুটুল, সার্কেল এএসপি মিথুন সরকার ও বিরামপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহগুলো থানা হেফাজতে নিয়েছেন।
মদপান করে মারা যাওয়া মহসীনের বাবা সুলতান আলী বলেন, নিহতরা আগে থেকে মাদকাসক্ত ছিল। স্পিরিট পানে তারা অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে দিনাজপুরের পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন এ বিষয়ে জানান, দিনাজপুর জেলার কোথাও স্পিরিট বা নেশাজাতীয় দ্রব্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। এর পরও কেউ বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বার্তাবাজার/এসজে