ময়মনিসংহের ঈশ্বরগঞ্জে প্রকাশ্যে আসর বসিয়ে জুয়া খেলার দায়ে চার জুয়াড়িকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের অভিযানে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই সাজা প্রদান করা হয়। তবে এ সময় পালাতে গিয়ে পানিতে নিখোঁজ হয়েছেন এক জুয়াড়ি।
উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের বড়জোড়া গ্রাম এবং বড়হিত ইউনিয়নের বড়ডাংড়ি গ্রামের সীমান্তবর্তী “বেই” বিলে গত কিছু দিন ধরে নিয়মিত জুয়ার আসর বসানো হয়েছিলো। ঈশ্বরগঞ্জ পৌর এলাকার দত্তপাড়া গ্রামের ফজলুর রহমান ও মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য বাবুল মিয়ার যৌথ প্রচেষ্টায় জুয়ার আসর বসানো হয়। বিলের মাঝখানে একটি কলা বাগানে আসর বসিয়ে খেলা চলার খবর পান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন।
পরে মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান শুরু করেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মনোরঞ্জন বর্মণ। ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিম নিয়ে অভিযান শুরু করেন।
ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়াড়িরা পালানোর সময় আটক করা হয়- জুয়া খেলার আয়োজক দত্তপাড়া গ্রামের ফজলুর রহমান (৫৫), বড়হিতের রামচন্দ্র পুর গ্রামের আক্তার হোসেন (৩৫), উচাখিলার আবদুল মালেক (৪৮) ও নয়ন মিয়া (৩৫)। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মনোরঞ্জন বর্মণ চার জুয়াড়িকে এক মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
জুয়ার আসর থেকে পালানোর সময় বিলের পানিতে মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রফিকুল ইসলাম রবির ভাই বাবুল মিয়া ওরফে বকুল (৪৫) নিখোঁজ হন। ফায়ার সার্ভিসের টিম এসে চেষ্টা করেও পানিতে ওই ব্যক্তির সন্ধান পায়নি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আসর বসিয়ে জুয়া খেলা হচ্ছে এমন খবর পেয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। ওই সময় ৪ জনকে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
কেএ/বার্তাবাজার